রাজনীতিতেও কিছু পরিত্যক্ত মানুষ আছে, যারা ঘুরে ঘুরে সব দল করে। আর রাজনীতিতে পরিত্যক্ত মানুষগুলোরও ব্যাঙের মতো আওয়াজ বড়। মাহমুদুর রহমান মান্না ভাইয়ের একটা বক্তব্য শুনলাম, সরকারের নাকি একদম ভিত নেই। সেজন্য পরপর চারবার আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায়। তারা তো টেনে ফেলে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু টান দিতে গিয়ে তারাই ধপাস করে পড়ে গেছে। এখন কোমর যে ভেঙে গেছে সে অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে একটু দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। গত বছর ২৮ অক্টোবর কার আগে কে দৌড় দেয় সে প্রতিযোগিতা আমরা দেখেছি নয়াপল্টনের সামনে।

গতকাল চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লার রেড ক্রিসেন্ট মাঠে অনুষ্ঠিত রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক, বিডিআরসিএস ব্যবস্থাপনা পরিষদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও বিশ্ব রেড ক্রস, রেড ক্রিসেন্ট দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন। এ সময় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও রেড ক্রিসেন্ট জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এমইউ কবির চৌধুরী, জেলা রেড ক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার আসলাম খানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মাহমুদুর রহমান মান্না ভাইসহ আরো কিছু দল ও ব্যক্তিবিশেষ আছে, যাদের নিজের দলের কোনো ভিত্তি নেই, ঘুরে ঘুরে দল করে। মান্না ভাই মাশআল্লাহ এ পর্যন্ত মাত্র সাতটি দল বদল করেছেন। রাজনীতিতে তারা পরিত্যক্ত ব্যক্তিবিশেষ। এদের কথার কোনো মূল্য নেই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেভাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সমগ্র পৃথিবী আজ তার প্রশংসা করছে। সমগ্র পৃথিবী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে, কিন্তু বিএনপিসহ তাদের মিত্ররা এটির প্রশংসা করতে পারে না। আমাদের রাজনীতিতে প্রত্যাখ্যান আর সংঘাতের সংস্কৃতি না থাকলে দেশ আরো বহুদূর এগিয়ে যেতে পারত। নির্বাচনের পর ৮০টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চিঠিতে বলেছেন, আমাদের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান।’

রেড ক্রিসেন্ট নিয়ে তিনি বলেন, ‘রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দেশ বিনির্মাণে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভবিষ্যতের পথচলায় আমাদের দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বাস্থ্যসেবা এবং মানবসেবার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে—সেই প্রত্যাশা থাকল।’