চিকিৎসা শিক্ষার মানোন্নয়নে কোনো ধরনের আপোস করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার। তিনি বলেছেন, উন্নত চিকিৎসা শিক্ষা, উন্নত চিকিৎসাসেবা এবং মানসম্পন্ন গবেষণার মাধ্যমে বিএসএমএমইউকে একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে নবীন শিক্ষকদের দায়িত্ব বেশি। খবর বাসস।

আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বিএসএমএমইউতে শহীদ ডা. মিল্টন হল এবং শহীদ ডা. মিলন হলের এক্সটেনশন রুমে অনুষ্ঠিত দুটি কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এ কর্মশালাগুলোর আয়োজন করে।

প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকরণ ও মডারেশন এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৬ ও রুলস ২০০৮ বিষয়ক দুটি কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউর বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক এবং কর্মকর্তারা। কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন আইকিউএসিয়ের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জেসমিন বানু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসিয়ের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. তারিক রেজা আলী।

অধ্যাপক ডা. জেসমিন বানু তার বক্তব্যে শিক্ষকদের বেশি বেশি করে প্রশ্নপত্র তৈরি করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এই কাজটি বেশি বেশি করলে শিক্ষকদের মাঝে সৃষ্টিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউর শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. শামীম আহমেদ, বেসিক সাইন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ডা. আবু হেনা হেলাল উদ্দিন আহমেদ. পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) গৌর কুমার মিত্র প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকরণ ও মর্ডারেশন বিষয়ক কর্মশালার টেকনিক্যাল সেশনে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিসিপিএস এর কাউন্সিলর অধ্যাপক তাহমিনা বেগম ও বিএসএমএমইউর অধ্যাপক ডা. নুরুন্নাহার খানম। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট এ্যাক্ট ও রুলস বিষয়ক কর্মশালার টেকনিক্যাল সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. আব্দুল ওয়াদুদ ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার (প্রকিউরমেন্ট) আশিক আহমেদ শিবলী।