পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান জোরদারের অংশ হিসেবে বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হবে। সহব্যবস্থাপনা ও সহযোগিতামূলক বন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বন ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে, ফলে বন ও বনভূমি অনেক বেশি টেকসই হচ্ছে। বিদ্যমান বনভূমিতে ব্যাপকভাবে বনায়ন করে বনের আচ্ছাদন বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বনভূমি উজাড় রোধে জবরদখলকৃত বনভূমি চিহ্নিতপূর্বক উদ্ধার করে বনায়ন করা হচ্ছে।’
গতকাল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার-২০২২ ও ২০২৩’ পদক সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভায় পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্তকরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সভায় বৃক্ষরোপণে বিশেষ অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কারের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত পর্যায়, ব্যক্তি মালিকানাধীন নার্সারি, বন বিভাগ কর্তৃক সৃজিত বাগান, বাড়ির ছাদে বাগান সৃজন, বৃক্ষ গবেষণা, সংরক্ষণ ও উদ্ভাবন প্রভৃতি ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আগে উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পর্যায়ের কমিটিতে যাচাই-বাছাই শেষে খসড়া তালিকা প্রণয়ন করা হয়।
১৯৯৩ সাল থেকে চালু হওয়া এ পুরস্কারের প্রতিটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের সনদ দেয়া হবে। আর পুরস্কারের মূল্যমান হিসেবে প্রথম পুরস্কারের জন্য ১ লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কারের জন্য ৭৫ হাজার এবং তৃতীয় পুরস্কারের জন্য ৫০ হাজার টাকা দেয়া হবে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যদের মধ্যে সাবেক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, জাতীয় কমিটির সদস্য আরমা দত্ত এমপি, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।










