বগুড়ার সব রুটেই এখন ঘরমুখো মানুষের ভিড়। এবার ঈদযাত্রায় বগুড়ার ১০টি স্থান উত্তরের ১২ জেলার মানুষের ভোগান্তির কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা যাত্রী ও যানবাহন চালকদের। মূলত সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা থেকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পর্যন্ত ১০টি স্পটে প্রতি বছরই যানজট সৃষ্টি হয়। তবে জেলা প্রশাসন বলছে, ঈদের ছুটিতে কোনো যাত্রীই যেন দুর্ভোগে না পড়ে, সে বিষয়ে প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা সেবা দেয়া হবে।
বগুড়া সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া সড়ক বিভাগের আওতায় ৫৭২ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে ১৩০ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক, ৬১ কিলোমিটার আঞ্চলিক সহাসড়ক, ৩৮১ কিলোমিটার জেলা সড়ক। বগুড়ার সীমানায় জাতীয় মহাসড়ক রয়েছে প্রায় ৬৪ কিলোমিটার।
মোটর শ্রমিক ও বাস চালকরা বলছেন, ঢাকা থেকে বগুড়া হয়ে রংপুর চলাচলের সময় বগুড়া সীমানায় কয়েকটি স্থানে যানজট সৃষ্টি হয়। স্থানগুলো হলো শেরপুরের মির্জাপুর ওভারপাস, ছোনকা বাজার, ঘোগা বটতলা, ঘোগা ব্রিজ, ফুড ভিলেজ ও পেন্টাগন হোটেল এলাকা, শাজাহানপুরের বনানী লিচুতলা, সদরের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মাটিডালি বিমান মোড় এবং শিবগঞ্জের মোকামতলা। এ ১০টি স্পটে যানজট সৃষ্টি হয়। বিগত দিনে এসব মোড়ে যানজটের কারণে উত্তরের ১২ জেলার যাত্রীদের ২-৩ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় লেগেছে। এবার তো ধীরে ধীরে এসব স্পটে চাপ বাড়ছে। তবে কয়েকদিন ধরে এসব স্পটে ট্রাফিকের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের দেখা যাচ্ছে।
বাসচালক আল-মামুন জানান, বগুড়াসহ উত্তরের জেলাগুলোয় যেতে যানজট হতে পারে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড় ও পশ্চিমপাড়, সিরাজগঞ্জ রোড, বগুড়ার চান্দাইকোনা, শেরপুর উপজেলা শহর, বগুড়া শহরের বনানী, মাটিডালি, মহাস্থানগড়, মোকামতলা ও পলাশবাড়ীতে। এসব এলাকায় প্রশাসন থেকে নজরদারি আরো বাড়ানো দরকার। সেই সঙ্গে মহাসড়ক থেকে থ্রি হুইলার, নছিমন, অটোরিকশা, হাটবাজার উচ্ছেদ করা দরকার। এছাড়া ফুটপাত দখলমুক্ত করলে যানজট কমে যাবে।
বগুড়া সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান জানান, ঈদে ঘুরমুখো মানুষের চলাচলে সড়কের উন্নয়ন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ে চলাচল করতে পারে সে বিষয়গুলো মাথায় রেখে আমরা কাজ করেছি। জাতীয় মহাসড়কের অবস্থা ভালো রয়েছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষ দ্রুত ও দুর্ভোগ ছাড়াই ঘরে ফিরতে পারবে।










