রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত,
কাতার ও সৌদি আরব থেকে ৯০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এতে মোট ব্যয় হবে ২৮২ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
এই সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
বুধবার (৮ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের
সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা কমিটির এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল
হোসাইন খান জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ
করপোরেশনের (বিসিআইসি) জন্য ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত
আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাঙ্ক
গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৯৩
কোটি ৭৭ লাখ ৬১ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারে দাম পড়বে ২৮৪.১৭ মার্কিন ডলার। যা
আগে ছিল ৩২৮.৬৭ মার্কিন ডলার।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে বিসিআইসির জন্য ২০২৩-২৪
অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে কাতারের কাতার কেমিক্যাল অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যাল
মার্কেটিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (মুনতাজাত) থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক
গ্র্যানুলার (অপশনাল) ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয়
হবে ৯৩ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ২৮২.৫০ মার্কিন
ডলার। যা আগে ছিল ৩৩০.৮৩ মার্কিন ডলার।
এ দুই সপ্তাহের পাশাপাশি শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে টেবিলে আর একটি প্রস্তাব
উপস্থান করা হয়। সেটিও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এই প্রস্তাবটি হলো ২০২৩-২৪
অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি
থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার (অপশনাল) ইউরিয়া সার আমদানি। এই সার আমদানিতে
ব্যয় হবে ৯৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ২৮৮.৩৩ মার্কিন
ডলার। যা আগে ছিল ৩৪৭.৫০ মার্কিন ডলার।










