পুরোদমে কোরবানির পশুর যত্ন নিচ্ছেন রাজবাড়ীর খামারিরা। ঈদ সামনে রেখে দেশীয় পদ্ধতিতে চলছে পশু মোটাতাজাকরণ। এ বছর জেলায় প্রস্তুত হয়েছে ৪০ হাজার, গরু, মহিষ ও ছাগল। গো-খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও গরু আমদানি নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা। আর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, পশুর সুস্থতা রক্ষায় নিয়মিত দেখভাল করে চলেছেন তারা। দিচ্ছেন নানা ধরনের পরামর্শ।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, রাজবাড়ীতে এ বছর ২১ হাজার ৫২৯টি গরু, ১৮ হাজার ১৩০টি ছাগল, ১৩৮টি মহিষ ও ২৭৫টি ভেড়া এবং গারলসহ মোট ৪০ হাজার ৭২টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব পশুর আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে অন্তত ৫ কোটি টাকা।
লাভের আশায় গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত রাজবাড়ীর ছোট-বড় অন্তত আট হাজার খামারি ও কৃষক। ঈদুল আজহার সময় একেবারে কম। তাই কোরবানির পশুর একটু বাড়তি যত্ন নিচ্ছেন তারা। জেলার পাঁচ উপজেলার প্রতিটি খামারে এখন একই চিত্র।
রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার থ্রিএস অ্যাগ্রো খামারে কর্মরত শ্রমিক লিটন মিয়া জানান, দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করা পশুর চাহিদা বেশি। তাই কোনো রকম ইনজেকশন বা কীটনাশক ছাড়া খাওয়ানো হচ্ছে ঘাস, খড়, ভুট্টা, ধান ও ছোলা।
থ্রিএস অ্যাগ্রোর মালিক ও খামারি বজলুর রশিদ স্বপন জানান, এ বছর খড়, ভুট্টা, ছোলা ও শ্রমিকের মজুরি বেশি। তাই গরুর যত্নে খরচ পরছে বেশি। এ অবস্থায় পাশের দেশ থেকে গরু আমদানি করা হলে লোকসানে পড়বেন তারা। সেক্ষেত্রে খামারে আগ্রহ হারাবেন খামারিরা।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. নূরুল ইসলাম তালুকদার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘কোরবানির পশুর যত্নে নিয়মিত খামারিদের পরামর্শদান ও খামার পরিদর্শন করা হচ্ছে। প্রস্তুত করা পশু জেলার চাহিদা মিটিয়ে পাঠানো হবে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।’










