৮ মে বণিক বার্তায় প্রকাশিত ‘পিতার মৃত্যুর তিন বছরেই সব হারাচ্ছেন রন-রিক’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে সিকদার গ্রুপ। শিল্প গ্রুপটির কোম্পানি সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, ‘সিকদার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংকের একটি শেয়ারও কারো কাছে বিক্রি বা হস্তান্তর করা হয়নি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শেয়ার হস্তান্তরের কোনো পরিকল্পনা নেই। মনোয়ারা সিকদার, রিক হক সিকদার ও রন হক সিকদারের শেয়ার হস্তান্তর বা বিক্রির বিষয়টিও সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত। আমরা গ্রাহক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশ্বস্ত করতে চাই যে সিকদার গ্রুপ তাদের কোনো কোম্পানির কোনো মালিকানা বা সম্পত্তি কারো কাছে বিক্রি কিংবা হস্তান্তরের বিষয়ে অন্য কোনো গ্রুপের সঙ্গে আলোচনাও করেনি।’
এতে বলা হয়, ‘প্রকাশিত সংবাদে সিকদার গ্রুপের ফান্ডেড ও নন ফান্ডেড ঋণের ভিত্তিহীন তথ্য একত্রে পরিবেশন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। সিকদার রিয়েল এস্টেট লিমিটেডসহ রিক সিকদার ও রন সিকদারের পরিচালিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের যে ঋণের বিবরণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা ব্যাংকিং নিয়মনীতি মেনে কমপক্ষে দেড় গুণ জামানতের বিপরীতে নেয়া হয়েছে।’ এ দুই ভাইয়ের বিপরীতে ন্যাশনাল ব্যাংকের ইস্যুকৃত ক্রেডিট কার্ড ‘ব্যক্তিগত ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্টের বিপরীতে ইস্যুকৃত’ বলে প্রতিবাদপত্রে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: প্রকাশিত সংবাদটি বাংলাদেশ ব্যাংক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), ন্যাশনাল ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে দেয়ায় সিকদার পরিবারের সব সদস্য বাদ পড়েছেন। যে চিঠির মাধ্যমে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে দেয়ার আদেশ দেন তাতে বলা হয়, ‘বিধিবিধান লঙ্ঘন করে ঋণ অনুমোদন করা, পরিচালনা পর্ষদের ক্ষমতার অপব্যবহার, পরিচালক নির্বাচনে জটিলতা সৃষ্টি, আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করা হলো।’










