রাজধানীর মিরপুরে অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রাজধানীর মিরপুর কালশীতে সাগর মিয়া (২২) নামে এক যুবক শটগানের গুলিতে আহত হয়েছেন। আহত যুবক বাউনিয়াবাদ এলাকায় একটি টেইলার্সের কাজ করেন বলে জানা গেছে। গুলিতে আহতকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত অটোচালকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কালশীর মোড়ে পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেয়।
নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে। এতে করে পুলিশ ও চালকদের মধ্যে ব্যাপক আকারে সংঘর্ষ ঘটে। এখনো পরিস্থিতি থমথমে বিরাজ করছে। রোববার এ ঘটনা ঘটে। এ সময় গাড়ি ভাঙচুর করেন সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করা রিকশাচালকরা।
শটগানের গুলিতে আহত সাগর মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা রাকিবুল ইসলাম জানান, তাদের বাসা মিরপুর ১১ নম্বর বাউনিয়াবাদ এলাকায়। এলাকাতেই একটি টেইলার্সে কাজ করেন সাগর।তারা দুজন সকালে একটি কাজে উত্তরায় যায়। সেখান থেকে মিরপুরের বাসায় ফিরছিলেন।কালশী মোড়ে পৌঁছানোর পরপরই হঠাৎ শটগানের গুলিতে তিনি আহত হন। প্রথমে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, সকাল থেকে কালশীসহ মিরপুর এলাকায় অটোরিকশাচালকরা রাস্তা অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষ থেকেই সাগর গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মিরপুর এলাকা থেকে এক যুবক শটগানের গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। তার গলায় ও বুকের বাম পাশে গুলির চিহ্ন রয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে।
এর আগে, সকাল ৯টা থেকে পল্লবী, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, আগারগাঁও, মিরপুর ২, ১ ও ১৩ শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে যানজটে নাকাল হয়ে পড়ে। সকাল ৯টার দিকে মিরপুর সাড়ে ১৩ তে পুরবী সিনেমা হলের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় তারা ভাঙচুরও চালায়। এরপর তারা মিরপুর ১০ এর মোড়ে অবস্থান নেয়। সেই থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান নেয় এবং মিছিল করে। তাদের কারণে মিরপুর ১০ থেকে ফার্মগেট আসা ও যাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। এ সড়কে টানা ৫ ঘণ্টারও বেশি যানজট ছিল।










