ক্রেতা সংকটে বিপাকে পড়েছেন দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা। এরই মধ্যে অতিরিক্ত গরমে গুদামে মজুদকৃত পেঁয়াজে পচন ধরছে। চারা গজিয়ে যাওয়ায় অনেক পেঁয়াজ ফেলে দিতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে দিচ্ছেন আমদানিকারকরা।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা মনিরুল আলম বলেন, বর্তমানে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে, ফলে দাম কম। প্রকারভেদে ১৬-৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে দেশীয় পেঁয়াজ। এ কারণে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি তেমন নেই বললেই চলে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শাহরিয়ার আলম বলেন, সরকার ৫ মে থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি না দেয়ায় বন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ। তবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত পুরনো এলসির মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করেন আমদানিকারকরা। কিন্তু সে তুলনায় ক্রেতা নেই। এদিকে কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড গরম আবার কখনো বৃষ্টির কারণে এরই মধ্যে গুদামে মজুদকৃত পেঁয়াজে পচন ধরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অল্প খারাপ পেঁয়াজ ১০-১২ টাকা আর বেশি খারাপ পেঁয়াজ ৪-৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কেউ কেউ অবশ্য এসব পেঁয়াজ ২-৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন।










