চীন ২০২২-২৩ বিপণন বছরে ১০ কোটি ৮ লাখ ৬০ হাজার টন সয়াবিন আমদানি করেছে। ব্রাজিল থেকে শক্তিশালী রফতানি ও চীনের ফিড খাতে চাহিদা বৃদ্ধি এক্ষেত্রে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ২০২৩-২৪ বিপণন বছরেও সয়াবিন আমদানির এ হার বজায় থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের (এফএএস) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন।
এফএএসের পূর্বাভাস বলছে, উদ্ভিজ্য তেলসহ পশুপালন ও পোলট্রি খাতে সয়াবিন মিলের (এসবিএম) চাহিদা পুনরুদ্ধার পাওয়ায় ২০২২-২৩ মৌসুমে ৯৩ লাখ টন সয়াবিন আমদানি করেছে বেইজিং। ২০২৩-২৪ মৌসুমে আমদানির পরিমাণ ১০ কোটি টন ছাড়াবে বলে প্রত্যাশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এফএএস বলছে, সয়াবিনের চীনা চাহিদার শীর্ষ সরবরাহকারী ব্রাজিল। বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে এ বছর রেকর্ড পরিমাণে সয়াবিন আবাদ হয়েছে।
চীনে ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ সালে পশুখাদ্যে সয়াবিন মিলের ব্যবহার বাড়ছে। চীনের কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২২-২৩ মৌসুমে মাসিক খাদ্য উৎপাদন ২০২১-২২ মৌসুমের চেয়ে বেশি ছিল। মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২২-২৩ বিপণন বর্ষে পশুখাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ৯৮ লাখ টন। গত বছরের চেয়ে তিন কোটি টন বেশি।
মার্কিন কৃষি বিভাগের ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস ২০২৩-২৪ বিপণন বছরে চীনের সয়াবিন মড়াইয়ের পূর্বাভাস সংশোধন করেছে। সর্বশেষ প্রাক্কলনে বলা হয়েছে, এ সময়ে চীন ৯ কোটি ৬০ লাখ টন সয়াবিন মাড়াই করবে। আগের প্রাথমিক পূর্বাভাসে যার পরিমাণ ছিল ৯ কোটি ৪০ লাখ টন।










