‘সেবার এক বছর, আস্থার এক নতুন অধ্যায়’ প্রতিপাদ্যে গতকাল প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে হাসপাতালটি। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউনিকো হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম ঢালি (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আর্দ্রা কুরিয়েন। তারা এক বছরের পথচলা, চিকিৎসাসেবার পরিধি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে হাসপাতালের সিইও আর্দ্রা কুরিয়েন বলেন, ‘প্রচলিত চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি নতুন ও উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা দেশে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। এর অংশ হিসেবে অ্যান্টিনেটাল প্রোগ্রাম, বার্থিং স্যুট, নিওনেটাল সেবা ও ব্যথাহীন প্রসব বিষয়ে রোগীদের প্রস্তুত করার ব্যবস্থা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘গর্ভাবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে একজন নারী কী ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যান, সে বিষয়ে মাসভিত্তিক নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে স্বামী ও পরিবারের সদস্যদেরও প্রসবকালীন সময়ে কীভাবে সহযোগিতা করতে হবে, সে বিষয়ে ধারণা দেয়া হচ্ছে।’
আর্দ্রা কুরিয়েন বলেন, ‘রোগীদের চিকিৎসার জন্য কেন বিদেশে যেতে হবে? একটি দেশ তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা দেশের মানুষের প্রয়োজন মেটানোর মতো শক্তিশালী হয়।’
তিনি আরো জানান, বাংলাদেশে জেনেটিক অ্যানালাইসিসের সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এ ধরনের প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্যান্সার রোগীদের জন্য কোন ধরনের কেমোথেরাপি বা হরমোন থেরাপি বেশি কার্যকর হতে পারে, সে বিষয়ে চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা পাওয়া সম্ভব বলেও আর্দ্রা কুরিয়েন উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে হাসপাতালের চিফ অব মেডিকেল সার্ভিসেস (সিএমএস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. শরীফ আহমেদ জানান, ‘উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে মানুষের জীবন পরিবর্তন’ ভিশন নিয়েই ইউনিকো হসপিটাল যাত্রা করে। বর্তমানে ২৪ ঘণ্টা ইমার্জেন্সি সার্ভিসের পাশাপাশি মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, গাইনি ও পেডিয়াট্রিক বিভাগ, ডায়াগনস্টিক সার্ভিস, ল্যাবরেটরি ও রেডিওলজি সেবা চালু রয়েছে।










