বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ ঝুঁকির কারণে ভারতের প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস কমিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিপি)। গত ডিসেম্বরে এডিপি পূর্বাভাস দিয়েছিল, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতের প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে। এবার সংস্থাটি জানাল, ৭ দশমিক ২ শতাংশ নয়, ২০২৪ অর্থবছরে ভারতের প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ।
একই সঙ্গে সংস্থাটি বলেছে, ২০২৫ অর্থবছরে ভারতের বিনিয়োগ দ্রুত বাড়বে। এর কারণ হিসেবে সরকারের নীতি ও সুষ্ঠু সামষ্টিক অর্থনীতির মৌলিক বিষয়কে গুরুত্ব দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এডিপির প্রত্যাশা, ২০২৫ অর্থবছরে ভারতে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।
ভারতে এডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর তাকো কোনিশি বলেন, বৈশ্বিক মন্দা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার অনেক সমকক্ষ অর্থনীতির তুলনায় শক্তিশালী রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ব্যবহার শক্তিশালী ও বৈশ্বিক চাহিদার ওপর কম নির্ভর করছে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গতি শক্তি (ন্যাশনাল মাস্টার প্ল্যান ফর মাল্টিমোডাল কানেক্টিভিটি) উদ্যোগের অধীনে ভারত সরকারের শক্তিশালী অবকাঠামো, লজিস্টিক উন্নয়ন ও শিল্প করিডোর উন্নয়ন ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতা ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।
এডিপি বলেছে, জিডিপির ৫ দশমিক ৯ শতাংশ কম রাজস্ব ঘাটতি সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৪ অর্থবছরে মূলধন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। করোনা সংক্রমণ হ্রাসের কারণে পর্যটন ও অন্যান্য পরিষেবা খাত পুনরুদ্ধারের ফলে ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী হবে। তবে দুর্বল বৈশ্বিক চাহিদার কারণে ২০২৪ অর্থবছরে শিল্পোৎপাদন কমলেও ২০২৫ অর্থবছরে বৃদ্ধি পাবে।
এডিপি আরো জানায়, কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য সরকার ঘোষিত কৃষিতে ডিজিটাল পরিষেবা স্থাপন ও কৃষি স্টার্টআপগুলোকে সহায়তার ফলে মধ্যমেয়াদে কৃষি প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। একই সঙ্গে সংস্থাটি এও জানিয়েছে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আবহাওয়াজনিত কারণে ভারতে অর্থনৈতিক ঝুঁকি বিদ্যমান।












