তবে কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা ছাড়া এ প্রযুক্তি কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে ব্যর্থ হয়। এমন পরিস্থিতিতে ফোর্ড নিজেদের শত শত অভিজ্ঞ সাবেক প্রকৌশলীকে ফের কাজে ফিরিয়ে এনেছে। তারা এখন তরুণ কর্মী ও এআই উভয়কেই প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। খবর ইন্ডিয়া টুডে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এআই-চালিত ও স্বয়ংক্রিয় কোয়ালিটি সিস্টেম আশা অনুযায়ী কাজ না করায় ফোর্ড গত তিন বছরে প্রায় ৩৫০ জন অভিজ্ঞ প্রকৌশলীকে পুনরায় নিয়োগ দিয়েছে। তাদের মধ্যে যেমন ফোর্ডের সাবেক কর্মীরা রয়েছেন, তেমনি বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। এ পদক্ষেপের পর কোম্পানির খরচও অনেক কমেছে বলে জানা গেছে।

ফোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, তারা অটোমেশনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করেছিলেন। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে কর্মীদের অর্জিত বাস্তব অভিজ্ঞতাকে অবহেলা করা হয়।

ফোর্ডের ভেহিকল হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস পুন বলেন, ‘আমরা ভুলবশত ভেবেছিলাম শুধু এআই যুক্ত করলেই একটি উচ্চমানের পণ্য তৈরি করা সম্ভব। এআই অবশ্যই একটি চমৎকার টুল, কিন্তু একে আপনি যে তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন, এটি ঠিক ততটুকুই ভালো কাজ করবে।’

তিনি আরো জানান, অভিজ্ঞ প্রকৌশলীরা চাকরি ছাড়ার আগে তাদের জ্ঞান ধরে রাখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ফোর্ড করেনি। ফলে এআই সিস্টেমে বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতার ঘাটতি ছিল।

ফোর্ডের চিফ অপারেটিং অফিসার কুমার গালহোত্রা বলেন, ‘সমস্যা খোঁজা ও তা মেরামতের মানসিকতা থেকে বের হয়ে এসেছি। এখন সমস্যা তৈরি হওয়ার আগেই তা প্রতিরোধ করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।’

শুধু হার্ডওয়্যার নয়, ফোর্ডের সফটওয়্যার, ম্যানুফ্যাকচারিং ও সাপ্লাই-চেইন টিমও এখন অনেক কাছাকাছি কাজ করছে। এছাড়া গ্রাহকদের কাছে গাড়ি পৌঁছানোর আগে সফটওয়্যারের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ৪০ সদস্যের একটি বিশেষ সফটওয়্যার কোয়ালিটি টিম গঠন করেছে কোম্পানিটি।