২০২২-২৩ অর্থবছরে যশোরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে গম আবাদ হয়েছে। আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৮০ হেক্টর জমিতে। আবাদ হয়েছে ৬২৪ হেক্টরে। সে হিসাবে ৪৪ হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। জেলায় আটা উৎপাদন হয়েছে ২ হাজার ২৪০ টন।

২০২১-২২ অর্থবছরে জেলার ৩৯৯ হেক্টরে গম আবাদ হয়, যা থেকে উৎপাদন হয়েছিল ১ হাজার ২৭৭ টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ৭৪৫ হেক্টর জমিতে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ৫৪৫ হেক্টর জমিতে।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে জেলার সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে সদর উপজেলায় ১৩৭ হেক্টরে। কম আবাদ হয়েছে শার্শা ও কেশবপুর উপজেলায় ৩০ হেক্টরে। এছাড়া ঝিকরগাছায় আবাদ হয়েছে ১৫০ হেক্টরে, চৌগাছায় ৭৫, অভয়নগরে ২৭, বাঘারপাড়ায় ৫০ ও মণিরামপুরে ১২৫ হেক্টর জমিতে।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি অফিসের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হক বলেন, ‘‌চাষীরা যে ফসলের দাম বেশি পাবেন সে ফসলে ঝুঁকবেন। বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে গম আমদানি হচ্ছে না। এ কারণে বাজারে আটার দাম অনেক বেশি। এজন্য যশোরের চাষীরা গম আবাদ বাড়িয়েছেন। চলতি মৌসুমে গমের ফলনও ভালো হয়েছে।’