রাজধানীর বাড্ডায় কোম্পানির নিজস্ব ১১৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমিতে এটি নির্মাণ করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের সেপ্টেম্বর শেষে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবন বীমা তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৮১ কোটি টাকায়। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ তহবিলের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা।

সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পপুলার লাইফের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৭০ পয়সা।

সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পপুলার লাইফের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৭০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৮০ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকা ২০ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পপুলার লাইফের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৮০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯২ টাকা ৬৮ পয়সায়।

২০২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৭৭ পয়সা। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০৯ টাকা ১৫ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১০৮ টাকা ৯০ পয়সায়।

এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডারদের ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। ২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স। ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৭ হিসাব বছরের জন্যও ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় তারা। এছাড়া ২০১৬ ও ২০১৭ হিসাব বছরে ৪০ শতাংশ হারে নগদ এবং ২০১৩ ও ২০১৪ হিসাব বছরে ৪০ শতাংশ হারে স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা।

২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে আসা কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ৪ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৮। এর ২৩ দশমিক ৭০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে। এছাড়া ২৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৫০ দশমিক ৩২ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

ডিএসইতে গত বৃহস্পতিবার পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার সর্বশেষ ৫৩ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৩৬ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৬০ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।