পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র (আইপি) বন্ধের পরও দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে। এবার আইপি বন্ধের সঙ্গে নতুন করে পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক বাড়িয়েছে সরকার। নতুন এ আমদানি শুল্ক গতকাল থেকেই কার্যকর করা হয়েছে হিলি কাস্টমসে।
হিলি স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মাহবুব আলম বলেন, দেশীয় কৃষকের উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় কিছুদিন পরই আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করে দিয়েছিল সরকার। সে অনুযায়ী ৫ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করেই বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত ছিল। এবার আবারো আমদানি শুল্ক ৫ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশ নির্ধারিত হয়েছে। গতকাল থেকেই এ শুল্ক কার্যকর হয়েছে।
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম নুরুল আলম খান বলেন, পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপিত ছিল। কিন্তু গত বছরের অক্টোবরে একটি এসআরওর মাধ্যমে আমদানি শুল্ক ১০ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছিল, যার মেয়াদ ছিল ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরই মধ্যে সেই এসআরওর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে আর মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। ফলে আগের মতো পেঁয়াজের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়ে গেল। পেঁয়াজের ওপর নতুন করে কোনো শুল্ক আরোপ হয়নি। যে শুল্ক কমানো হয়েছিল সেটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় আগের শুল্ক কার্যকর হয়েছে।










