বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে গতকাল এ আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দেন ভুক্তভোগীরা।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে নয়টি এনবিএফআই অবসায়নের উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে পরবর্তী সময়ে এ তালিকা থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেয়া হয়। অবসায়নাধীন থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এফএএস ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।
‘অ্যালায়েন্স ফর সিক্স এনবিএফআই ডিপোজিটর্স ফর রিকভারি’র ব্যানারে গভর্নরকে দেয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়, দীর্ঘ সাত বছর ধরে ১২ হাজারের বেশি আমানতকারী সঞ্চিত অর্থ ফেরত না পেয়ে চরম আর্থিক অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপে আছেন।
প্রতিষ্ঠানগুলোয় অর্থ আটকে থাকায় অনেক আমানতকারী চিকিৎসাসহ জরুরি ব্যয় মেটাতে পারছেন না। ক্যান্সার, কিডনি, হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত অনেকেই অর্থাভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমনকি চিকিৎসার অভাবে একাধিক মৃত্যুও ঘটেছে বলে স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগীরা দাবি করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জুলাইয়ের মধ্যেই ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, অর্থ ফেরতের দ্রুত, স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত ঘোষণা দিতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অর্থ ফেরতের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া ওই ছয় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন আমানতকারীরা।










