এতে আর্কিটেকচারাল, কনস্ট্রাকশন ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে তিনটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান—ভিসতারা আর্কিটেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড, অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টস প্রাইভেট লিমিটেড ও বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকায় ওয়ালটন করপোরেট অফিসে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় ওয়ালটন হাই-টেকের পক্ষে প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) ও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) মো. জিয়াউল আলম চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
অন্যদিকে অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টসের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অধ্যাপক ডা. এম শামিম জেড বসুনিয়া, ভিসতারা আর্কিটেক্টসের এমডি স্থপতি মুস্তফা খালিদ পলাশ এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবুল বাশার মোহাম্মদ আব্দুল কবির নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এসএম শামছুল আলম, পরিচালক এসএম নূরুল আলম রেজভী ও এসএম রেজাউল আলম এবং এমডি এসএম মাহবুবুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের এমডি এসএম মাহবুবুল আলম বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি বড় ভবন নির্মাণ নয়; বরং একটি দায়িত্বশীল ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা আজ দেশের তিনটি স্বনামধন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তাদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা এ প্রকল্পকে একটি বিশ্বমানের স্থাপনায় রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’
অনুষ্ঠানে স্থপতি মুস্তফা খালিদ পলাশ জানান, এ মেগা আইকনিক ভবনের আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে গ্রিন বিল্ডিং কনসেপ্ট, জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪ দশমিক ৩ বিঘা জায়গার ওপর নির্মিতব্য ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ারের আয়তন হবে প্রায় ১৮ লাখ বর্গফুট। প্রাথমিক ধাপে সাত বিঘা জমিতে প্রায় নয় লাখ বর্গফুটের ১৩তলা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক, টেকসই ও গ্রিন অফিস ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে তিনটি বেসমেন্টও থাকবে।










