লোকসানের কারণে আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৯ জুলাই বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আগামী ২২ জুন।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের পাশাপাশি কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনও অনুমোদন করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৪৩ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ১১ টাকা ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৫ টাকা ১৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৬৩ টাকা ২ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৩৫ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৩ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ১১ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৮৬ পয়সায়।
ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ফোর’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)।
২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৭২ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসান ১ হাজার ২৬০ কোটি ১৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৭ কোটি ২৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৪৩। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ২৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ৮৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৪ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










