আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার তুলনায় নিকেলের সরবরাহ বাড়ছে। ফলে বড় হচ্ছে ধাতুটির উদ্বৃত্তের আকার। চলতি বছর উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ২৩ হাজার টন। আগামী বছর তা আরো বেড়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার টনে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নিম্নমুখী চাপের মুখে পড়তে পারে ধাতুটির বাজারদর। ইন্টারন্যাশনাল নিকেল স্টাডি গ্রুপের (আইএনএসজি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
লিসবনভিত্তিক গ্রুপটি জানায়, চলতি বছর নিকেলের বৈশ্বিক চাহিদার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৩২ লাখ টনে। আগামী বছর তা বেড়ে ৩৪ লাখ ৭০ হাজার টনে উন্নীত হবে। বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি উৎপাদনে ধাতুটির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং স্টেইনলেস ইস্পাত খাতে পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া চাহিদা প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করবে।
চলতি বছর বিশ্বজুড়ে ৩৪ লাখ ২০ হাজার টন নিকেল উৎপাদন হতে পারে বলে মনে করছে আইএনএসজি। আগামী বছর তা বেড়ে ৩৭ লাখ ১০ হাজার টনে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত ইন্দোনেশিয়ায় নিকেল পিগ আয়রনের ধারাবাহিক উৎপাদন বৃদ্ধি এক্ষেত্রে রসদ জোগাবে।
তথ্য বলছে, চলতি বছরের এখন পর্যন্ত লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) নিকেলের গড় দাম ৩৮ শতাংশ কমেছে। ধাতুটির উদ্বৃত্ত নির্ভর করে মূলত উচ্চ গ্রেডের ‘ক্লাস ১’ নিকেলের ওপর। কারণ এলএমইতে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তির বিপরীতে এ নিকেলই সরবরাহ করা হয়। তবে চলতি ও আগামী বছর নিম্ন গ্রেডের ‘ক্লাস ২’ নিকেলের কারণে উদ্বৃত্তের পরিমাণ বাড়বে বলে জানায় আইএনএসজি।










