প্রশিক্ষণ দেয়াকেই চূড়ান্ত লক্ষ্য ধরে অর্থায়ন করার বদলে তরুণদের বিভিন্ন কাজ ও উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার বাস্তব পথ তৈরিতে সহায়তা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির শিকড়ের বাস্তবতা থেকেই নীতিগত করণীয় নির্ধারণ করতে হবে।’

যশোরে গতকাল ‘বাংলাদেশে তরুণদের অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা: সুযোগ, অংশগ্রহণের পথ ও প্রাতিষ্ঠানিক বাধা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত নিয়োগদাতা ও ব্যবসায়ী সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। পিপিআরসি ও দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন (টিএএফ) যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘প্রশিক্ষণ সনদের ওপর জোর দেয়ার গণ্ডি পেরিয়ে সরকারি ও দাতা-অর্থায়িত কর্মসূচি প্রকৃত কর্মসংস্থান, আয় বৃদ্ধি ও নতুন উদ্যোগ সৃষ্টিতে কতটা ভূমিকা রাখছে, তার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।’

অধ্যাপক সৈয়দ এম হাসেমী বলেন, ‘প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা প্রায়ই ওপর থেকে আসে। তবে সেই দক্ষতার বাজারচাহিদা রয়েছে কিনা এবং তা কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে কিনা, সেখানে বড় ঘাটতি রয়েছে।’

যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘ব্যবসা শুরুর আগেই যেন নতুন উদ্যোক্তা উদ্যোগ নেয়ার ইচ্ছা হারিয়ে না ফেলেন।’

রফতানি খাতে যশোর অঞ্চলের বড় সম্ভাবনা রয়েছে—উল্লেখ করে চেম্বারের পরিচালক শ্যামল দাস বলেন, ‘পূর্বানুমানযোগ্য নীতি, ব্যবহারিক দক্ষতা এবং বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের অনুকূল পরিবেশ ছাড়া এখানকার প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে না।’