১৪ মে অনুষ্ঠিত এক পর্ষদ সভায় কোম্পানিটির পরিচালকরা নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচন করে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ৩৩ পয়সা। একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৫৯ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৪২ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৮১ পয়সায়।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৩১ পয়সায়।

অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এএ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসিঙ্গক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ওয়াসো ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি (বিডি) লিমিটেড।

২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৬ কোটি ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩০ কোটি ২৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার ৬৯৮। এর ২৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ৩৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৪ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।