বিশ্বব্যাপী সয়াবিন উৎপাদন গত বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইন কাউন্সিল (আইজিসি)। সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ বিপণন বছরে উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে রেকর্ড ৩৯ কোটি ৫০ টনে। দক্ষিণ আমেরিকায় ভালো ফলন প্রত্যাশা এ প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন ডট কম।
শুধু উৎপাদনই নয় ব্যবহারও বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে আইজিসি। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী সয়াবিনের ব্যবহার গত বছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বাড়তে পারে। চলতি বিপণন বছরে পণ্যটির ব্যবহারের পরিমাণ সর্বকালের সর্বোচ্চ ৩৮ কোটি ৬০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। তবে এ সময় শস্যটির উদ্বৃত্ত মজুদের পরিমাণ গত বছরের মতোই ১৭ কোটি ১০ লাখ টনে অপরিবর্তিত থাকবে।
ভুট্টার ব্যাপক ফলন প্রত্যাশার কারণে আইজিসি ২০২৩-২৪ সালে মোট শস্য (গমসহ দানাদার শস্য) উৎপানের পূর্বাভাসও কিছুটা বাড়িয়েছে। সর্বশেষ পূর্বাভাসে চলতি বছর ২২৯ কোটি ৫০ লাখ টন দানাদার শস্য উৎপদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২১-২২ সালের পরে এটিই হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শস্য উৎপাদন রেকর্ড।
ব্যাপক উৎপাদন সত্ত্বেও আইজিসি মনে করে চাহিদার পরিমাণ সরবরাহকে ছাড়িয়ে যাবে। এ সময় চাহিদার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২৩০ কোটি ৮০ লাখ টনে। চাহিদা বাড়ায় উদ্বৃত্ত মজুদের পরিমাণ নামতে পারে ৫৮ কোটি ৫০ লাখ টনে, যা নয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
আইজিসির প্রতিবেদনে এ বছর বিশ্বব্যাপী ১২২ কোটি ৩০ লাখ টন ভুট্টা উৎপাদন হতে পারে, যা আগের বছরের ১১৬ কোটি ১০ লাখ টন থেকে বেশি। মূলত যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়ের বেশি ফলন হওয়ায় খাদ্যশস্যটির মোট উৎপাদন বাড়বে। পাশাপাশি ইউক্রেন, রাশিয়া ও তুরস্কে গমের ফলনও বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে গত মাসের তুলনায় গম উৎপাদনের পূর্বাভাস কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। তবে উৎপাদন পূর্বাভাসের পরিমাণ এখনো গত বছরের ৮০ কোটি ৪০ লাখ টনের চেয়ে ২ শতাংশ কম। আইজিসি বলছে, রেকর্ড পরিমাণ গমের চাহিদা বাড়ার ফলে গমের মজুদ নামতে পারে ২৬ কোটি ৪০ লাখ টনে, যা ২০১৬-১৭ সালের পর সর্বনিম্ন।










