যুক্তরাষ্ট্র থেকে চাহিদা বৃদ্ধির প্রত্যাশা ও চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আরো বাড়তে পারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। গতকাল আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমে গেলেও সামনের সপ্তাহে তা ঊর্ধ্বমুখিতা বজায় রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। খবর রয়টার্স।
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্টের দাম চলতি সপ্তাহে প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম বেড়েছে আগের তুলনায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ।
এদিকে গতকাল আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আগের দিনের তুলনায় ১৫ সেন্ট বা দশমিক ১৯ শতাংশ কমেছে। প্রতি ব্যারেলের মূল্য স্থির হয়েছে ৮০ ডলার ৮৯ সেন্ট। অন্যদিকে ডব্লিউটিআইয়ের দাম আগের দিনের তুলনায় ২৫ সেন্ট বা দশমিক ৩২ শতাংশ কমছে। প্রতি ব্যারেলের মূল্য নেমেছে ৭৭ ডলার ৯১ সেন্টে।
পিপারস্টোনের সিনিয়র রিসার্চ স্ট্র্যাটেজিস্ট মাইকেল ব্রাউন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা কিছুটা দূর হয়েছে। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা।’
কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠান এফজিইর বিশ্লেষকরা বলেছেন, বিশ্বে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় সরবরাহ ঝুঁকির কারণে বাড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন জ্বালানি তেলের বিনিয়োগকারীরা।
প্রসঙ্গত, বিশ্বের শীর্ষ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিকারক দেশ চীন। দেশটিতে জ্বালানি তেলের চাহিদা ও শোধনাগারের কার্যক্রম কমে যাওয়ায় মূল্যবৃদ্ধির অন্যান্য অনেক কারণ দামে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারছে না।










