ভারতে গমের উচ্চমূল্য সত্ত্বেও শস্যটির আবাদ কমতে পারে। অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতে মাটির আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় কৃষকরা গমের বিকল্প ফসল চাষের দিকে ঝুঁকবেন। দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীরা এমন পূর্বাভাস দিয়েছেন। খবর রয়টার্স।
বিজ্ঞানীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে ভারতে গমের আবাদি জমির পরিমাণ কমবে। আর তীব্র তাপমাত্রায় প্রথম প্রান্তিকে গমের ফলন ব্যাহত হবে। ফলে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদনকারী দেশটি গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখবে। এমনকি অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে ভারত আমদানি করতেও বাধ্য হতে পারে।
দেশটির কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রণালয় বলছে, চলতি বছর আবাদি জমির পরিমাণ গত বছরের চেয়ে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কমে গেছে। সর্বশেষ তথ্য বলছে, ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে ৮৬ লাখ হেক্টর জমিতে গম চাষ করা হয়েছে।
কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান গম উৎপাদনকারী রাজ্য হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশে সেচের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে এ রাজ্যগুলোয় ফলন স্বাভাবিক থাকবে। তবে উত্তর প্রদেশের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদনকারী রাজ্য মধ্যপ্রদেশের কৃষকরা কম আর্দ্রতায় টিকে থাকতে পারে, এমন শস্য চাষের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি গম ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কম বৃষ্টিপাত ও পর্যাপ্ত সেচ সুবিধা না থাকায় মধ্যপ্রদেশে গম আবাদি জমির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কমতে পারে। কৃষকরা গমের পরিবর্তে ছোলার মতো বিকল্প শস্য চাষ করছেন।










