ড্যাফোডিল পলিটেকনিকের ২৪ শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যে ল্যাপটপ তুলে দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা ও ব্যবহারিক দক্ষতা বাড়াতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

রাজধানীর ড্যাফোডিল প্লাজার ৭১ মিলনায়তনে সম্প্রতি আয়োজিত ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের হাতে ল্যাপটপ তুলে দেয়া হয়। ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ২০১৯ সাল থেকে ‘এক শিক্ষার্থী এক ল্যাপটপ’ উদ্যোগের আওতায় ধারাবাহিকভাবে এ কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে ল্যাপটপ দেয়া হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রযুক্তি শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী ডিপ্লোমা প্রকৌশলী গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। ব্যক্তিগত ল্যাপটপ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা, গবেষণা ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করছে।

বর্তমান ডিজিটাল বিশ্বে কম্পিউটার ব্যবহারের দক্ষতা শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষা, অনলাইন গবেষণা, ব্যবহারিক কাজ এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমে ব্যক্তিগত ল্যাপটপ শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়াকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে।

এ বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ২০১৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ল্যাপটপ বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির 'এক শিক্ষার্থী এক ল্যাপটপ' সুবিধার আওতায় শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ফলাফল ও নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে চতুর্থ সেমিস্টারে ল্যাপটপ পাওয়ার সুযোগ পায়। এর মাধ্যমে তাদের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, বোর্ড-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাহী পরিচালক রথীন্দ্রনাথ দাস এবং উপপরিচালক কে এম পারভেজ ববি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাফোডিল পলিটেকনিকের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম জাহিরুল ইসলাম ফারহাদ।

অনুষ্ঠানে নতুন ল্যাপটপ হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। অভিভাবকরা এ উদ্যোগকে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী ডিপ্লোমা প্রকৌশলী গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচি চালু রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষার পথে আরো এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে।

—বিজ্ঞপ্তি