থাইল্যান্ডের বেকারত্বের হার কমেছে। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা সংস্থা সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির বেকারত্বের হার প্রথম প্রান্তিকে তিন বছরের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে। ২০২২ সালের শেষ তিন মাসে থাই বেকারত্বের হার ১ দশমিক ১৫ শতাংশ থেকে কমে ১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। কভিড-১৯-পরবর্তী সময়ে পর্যটন খাতের পুনরুদ্ধারের ফলে এমন সুফল পেয়েছে দেশটি। খবর রয়টার্স।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ থাইল্যান্ড। প্রথম প্রান্তিকে প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধি পেয়েছে দেশটি। পর্যটন খাতের অব্যাহত পুনরুদ্ধারের ফলে এমনটা সম্ভব হয়েছে। কেননা থাইল্যান্ডের কর্মসংস্থানের মূল উৎস পর্যটন খাত, যা করোনাভাইরাসের মহামারীর সময় হঠাৎ করে মন্দার মধ্যে পড়ে।

থাইল্যান্ডের জাতীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন পরিষদ (এনইএসডিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চে ২ দশমিক ৪ শতাংশ কর্মসংস্থান বেড়েছে। ২০২২ সালের শেষ তিন মাসের তুলনায় যা ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। 

দেশটিতে মহামারীর আগে অর্থাৎ ২০২০ সালের প্রথম প্রান্তিকে বেকারত্বের হার ছিল রেকর্ড ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। ওই সময়ে দেশটিতে বেকারের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার।

থাইল্যান্ডে বেকারত্বের সংজ্ঞা খুবই সংকীর্ণ। যারা সপ্তাহে এক ঘণ্টাও কাজ করে না তাদেরই বেকার বলে গণ্য করা হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের পরিসংখ্যান থাইল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিকে অন্তর্ভুক্ত করে না। পরিকল্পনা সংস্থা বলছে, ২০২৩ সালের প্রথম প্রান্তিকে থাইল্যান্ডে ওয়ার্কফোর্স বা শ্রমশক্তি ছিল ৩ কোটি ৯৬ লাখ।