এর মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম এ ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধকালীন উজ্জ্বল, দৃঢ় ও বর্ণিল ভূমিকার আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মিলল। মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের অর্ধশত ছাত্রের অংশগ্রহণ, জীবন উৎসর্গ ও আত্মত্যাগ রয়েছে। যুদ্ধের নয় মাসে তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম প্রেরণা জোগায় পুরো জাতিকে।
দেশকে শত্রুমুক্ত করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করেন আটজন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজেল আট শিক্ষার্থী। তারা হলেন মেজর এমএ খালেক (প্রথম ব্যাচ); ক্যাপ্টেন একেএম নূরুল আবসার (দ্বিতীয় ব্যাচ); মোশাররফ হোসেন (তৃতীয় ব্যাচ); লে. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বীর উত্তম (সপ্তম ব্যাচ); মো. বদিউল আলম, বীর বিক্রম (সপ্তম ব্যাচ); ক্যাপ্টেন সামসুল হুদা (সপ্তম ব্যাচ); মুফতি মোহাম্মদ কাসেদ (সপ্তম ব্যাচ) এবং দ্বিতীয় লে. রফিক এ সরকার (দশম ব্যাচ)।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বীর উত্তম পদক পান এ কলেজের শিক্ষার্থী লে. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (সপ্তম ব্যাচ)। বীর বিক্রম পদক পান মো. বদিউল আলম (সপ্তম ব্যাচ), লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম (পঞ্চম ব্যাচ), কামরুল হক স্বপন (সপ্তম ব্যাচ) এবং মেজর জেনারেল ইমাম উজ জামান (দশম ব্যাচ)। এছাড়া বীর প্রতীক পদক পান কর্নেল আবু তাহের সালাহ উদ্দিন (চতুর্থ ব্যাচ), মেজর রওশন ইয়াজদানী ভূঁইয়া (ষষ্ঠ ব্যাচ), মেজর জেনারেল সায়ীদ আহমেদ (অষ্টম ব্যাচ), মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (নবম ব্যাচ), লে. কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (দশম ব্যাচ), ক্যাপ্টেন মো. হুমায়ুন কবির চৌধুরী (দশম ব্যাচ)। সব মিলিয়ে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৫০ জন শিক্ষার্থী সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধা। তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত ১১ ও আটজন শহীদ। —বিজ্ঞপ্তি









