অভিযোগগুলো ২০১৭ থেকে ২০২৩ সালের তৎকালীন পর্ষদের সময়কার হলেও এ বিষয়ে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করছে। প্রিমিয়ার ব্যাংক গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিযোগগুলো ২০১৭ থেকে ২০২৩ সালে সংঘটিত তৎকালীন চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদের সময়কার। অতীতে কোনো অনিয়ম ঘটলেও (বর্তমানে তদন্তাধীন) তা ব্যাংকের নীতি বা বর্তমান ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন নয়। প্রিমিয়ার ব্যাংক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এলসি লেনদেন পরিচালনা করছে।
এ প্রসঙ্গে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, ‘আমাদের অডিটে দায়গুলো সংশ্লিষ্ট ২৬ প্রতিষ্ঠানের কারখানা মালিকদের নামে শনাক্ত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি স্বাধীন ফরেনসিক অডিট পরিচালিত হচ্ছে, যাতে পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে আমরা পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাই এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করতে পারি।’
প্রিমিয়ার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনজুর মফিজ বলেন, ‘আমরা আমাদের গ্রাহক ও অংশীদারদের আশ্বস্ত করতে চাই যে প্রিমিয়ার ব্যাংক আর্থিকভাবে সুদৃঢ় এবং পরিচালনাগতভাবে স্থিতিশীল। বর্তমানে যে অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে, সেগুলোকে কেন্দ্র করে প্রিমিয়ার ব্যাংকের সুনাম ও কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত নয়। আমরা এরই মধ্যে অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণ জোরদার করেছি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’










