ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ গত ৯ জুলাই এ আদেশ দেন। মোরশেদ খান ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।
ওয়ান ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ঋণের অর্থ আদায়ে দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সফল না হওয়ায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৩৪ ধারার আওতায় দেওয়ানি কারাবন্দের আবেদন করে। শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে ছয় মাসের দেওয়ানি আটকাদেশ জারি করেন।
ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মামলার শুনানিতে আদালত জানতে পারেন, এ ঋণের বিপরীতে ব্যাংকের কাছে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক ছিল না। পাশাপাশি ডিক্রি জারির পরও বিবাদীদের মালিকানাধীন কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি, যা থেকে পাওনা অর্থ আদায় সম্ভব হতে পারত। এ অবস্থায় ব্যাংক দেওয়ানি আটকাদেশের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের বিষয়ে জানতে চাইলে বনানী থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আটকাদেশ এখনো আমার হাতে পাইনি। এ ধরনের আদেশ বেশ কয়েকটি দপ্তর ঘুরে থানায় আসে। তবে তার বিরুদ্ধে এর আগেও দুটি ওয়ারেন্ট আছে। আদালতের আটকাদেশ কার্যকরে সর্বাত্মক চেষ্টা চলমান রয়েছে।’










