ইন্দোনেশিয়ায় চলতি বছর ৩৩ হাজার ১৯০ হেক্টর বা ৮২ হাজার ১৪ দশমিক ২৮ একর পাম বাগানে নতুন চারার রোপণ অনুমোদন পেয়েছে। ছোট খামারের জন্য ভর্তুকি কর্মসূচির আওতায় বছরের প্রথম নয় মাসে এ সুযোগ দিয়েছে বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক দেশটি। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল ফান্ডের (বিপিডিপিকেএস) প্রধান এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

দেশটি ২০১৬ সালে ‘স্মলহোল্ডার পাম রিপ্লান্টিং স্কিম’ চালু করে। এর আওতায় প্রাথমিকভাবে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ হেক্টর জমিতে বয়স্ক পাম গাছের জায়গায় নতুন চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। মূলত বনাঞ্চল না কমিয়ে বিদ্যমান আবাদি জমিতে পাম অয়েলের উৎপাদন বাড়াতে এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল ইন্দোনেশিয়া। তবে প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে কর্মসূচি বাস্তবায়ন ধীর গতিতে চলছে।

চলতি বছর অতিরিক্ত অনুমোদনের পর মোট পাম অয়েল আবাদি জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ছয় হাজার হেক্টর। এ জমির দুই-তৃতীয়াংশে বয়স্ক পাম অয়েল গাছের বদলে নতুন চারা রোপণ করা হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ ও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ উচ্চ সুদ হার অপরিবর্তিত রাখায় অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। এর প্রভাবে ডালিয়ান এক্সচেঞ্জে বেড়েছে পাম তেলের দাম।

বিপিডিপিকেএস প্রধান এডি আবদুরর্যা চম্যান বালিতে অনুষ্ঠিত এক শিল্প সম্মেলনে জানান, দেশটির পাম অয়েলের উৎপাদন প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য পুনঃরোপণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ। 

দ্বীপ দেশটিতে গত বছর চার কোটি ৬৭ লাখ টন অপরিশোধিত পাম তেল উৎপন্ন হয়েছে। আবদুরর্যা চম্যান বলেন, ‘২০২৫ সালের মধ্যে পুনঃরোপণ না করলে অপরিশোধিত পাম তেলের উৎপাদন মাত্র চার কোটি ৪০ লাখ টনে নামতে পারে। একই সঙ্গে আগামী বছরগুলোতে উৎপাদনের পরিমাণ আরো কমতে পারে।’