তুরস্কে সূর্যমুখী তেলবীজ উৎপাদন কমার পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। বৈশ্বিক কৃষি তথ্য নেটওয়ার্ক শীর্ষক এক প্রতিবেদনে ইউএসডিএর ফরেন এগ্রিকালচার সার্ভিস (এফএএস) এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, তুরস্কে ২০২৩-২৪ বিপণন বছরে শস্যটির উৎপাদন ২০ শতাংশ কমতে পারে। মূলত দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূর্যমুখী উৎপাদনকারী অঞ্চলে ক্রমাগত খরার কারণে ফলন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন ডট কম।
চলতি বছরের শুরুর দিকে তুরস্কে ১৬ লাখ টন সূর্যমুখী বীজ উৎপাদনের পূর্বাভাস দিয়েছিল এফএএস। সর্বশেষ প্রতিবেদনে সংস্থাটি উৎপাদন পূর্বাভাস ৫০ হাজার টন কমিয়ে এনেছে। সংশোধিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উৎপাদনের পরিমাণ নামতে পারে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টনে, যা গত বিপণন বছরের মোট উৎপাদন থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টন কম।
এফএএস জানিয়েছে, ‘গত বছরের তুলনায় তুরস্কে সূর্যমুখী আবাদি জমির পরিমাণ কমেছে ১০ শতাংশ। কারণ অনেক কৃষকই সূর্যমুখী বীজের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাই এ বছর তারা অন্য ফসল চাষে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে ভালো লাভের আশায় তারা গম চাষে আগ্রহী হয়েছেন। এছাড়া খরা ও উচ্চ উৎপাদন খরচের কারণে কৃষকরা কম উর্বর জমিতে সূর্যমুখী চাষে বিমুখ হয়েছেন।
এফএএসের তথ্যমতে, বিশ্বের শীর্ষ সূর্যমুখী তেল উৎপাদনকারী ও ভোক্তা দেশগুলোর মধ্যে একটি তুরস্ক। ২০২২-২৩ বিপণন বছরে বিশ্বের চতুর্থ সূর্যমুখী বীজ উৎপাদনকারী ছিল দেশটি। গত এক বছরে তুরস্ক তার মোট সূর্যমুখী আমদানির ৭০ শতাংশই এনেছে যুদ্ধবিদ্ধস্ত ইউক্রেন থেকে।










