কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাড়াতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে দুদিনব্যাপী কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম। আগামী ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে সালমান এফ রহমান বলেন, ‘সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বড় সুযোগ হতে পারে। সম্মেলনে কমনওয়েলথভুক্ত অনেক দেশ থেকে ব্যবসায়ীরা অংশ নেবেন। বাংলাদেশও নিজেদের বিনিয়োগ সম্ভাবনা এ ব্যবসায়ীদের কাছে তুলে ধরতে পারবে। ফলে এ সম্মেলন সবার জন্যই একটা উইন-উইন বা লাভজনক হিসেবে বিবেচিত হবে।’

যুক্তরাজ্যের হাউজ অব লর্ডসের সদস্য ও সিডব্লিউইআইসির ডেপুটি চেয়ারম্যান লর্ড সোয়ার বলেন, ‘যুক্তরাজ্যসহ কমনওয়েলথের অনেক দেশ বাংলাদেশকে বিনিয়োগের ভালো গন্তব্য হিসেবে মনে করে। সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের সরকারি পর্যায়ের প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা অংশ নেবেন। তারা পারস্পরিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন। সম্মেলনে ইউরোপ ও এশিয়া অঞ্চল ছাড়াও আফ্রিকা থেকেও বড় অংশগ্রহণ থাকবে বলে আমরা আশা করছি।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বে ২৫তম শীর্ষ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। এরই মধ্যে দেশে বিনিয়োগ পরিবেশ বৃদ্ধিতে বন্দর, জ্বালানিসহ বিভিন্ন পরিষেবার মানোন্নয়ন করা হচ্ছে। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের জন্য এ উন্নয়নের অংশীদার হওয়ার এখনই সময়।’

বাংলাদেশে কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিলের কৌশলগত উপদেষ্টা জিল্লুর হোসেন এমবিই বলেন, ‘এ ফোরামের লক্ষ্য হলো অংশীদারত্ব বৃদ্ধি ও মজবুত করা, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং বাংলাদেশের জন্য টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ অন্বেষণ করা।’

আয়োজকেরা জানিয়েছেন, কমনওয়েলথভুক্ত ৫৬টি দেশ থেকে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের ৪০০ থেকে ৫০০ প্রতিনিধি অংশ নিতে পারেন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক প্রতিনিধি বাংলাদেশ থেকে অংশ নেবেন বলে আশা করছেন তারা।