রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী (ইন্টারসেপ্টর) ব্যবস্থা থাকলে অনেক প্রাণ বাঁচানো যেত।

বুধবার মধ্যরাতের পর রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলে এ বছরের অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা চালায় রাশিয়া। আবাসিক ভবন, একটি রেলস্টেশন ও কয়েকটি গুদামে আঘাত হানে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন। এ হামলায় অন্তত ৪৫ জন আহত হয়েছেন।

ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে মিত্র দেশগুলোর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আরো ইন্টারসেপ্টর চেয়ে আসছে। তবে গত রাতের এ হামলায় ছোড়া কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার তথ্য ইউক্রেন জানায়নি।

জেলেনস্কি বলেন, মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেতে বিলম্ব হওয়ায় ভয়াবহ প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় তারা অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণ, সরবরাহ এবং ড্রোন উৎপাদন ও বিতরণে ব্যবহৃত লজিস্টিক হাব ও সরবরাহকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।

এ ছাড়া কৃষ্ণসাগর উপকূলের ওডেসা বন্দরের কাছে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী তিনটি কার্গো জাহাজেও হামলা চালানোর দাবি করেছে মস্কো।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, কিয়েভ শহরে একজন নিহত ও অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। রাজধানীর বাইরের অঞ্চলে নিহত হয়েছেন আরো ১৬ জন এবং আহত হয়েছেন ২৯ জন।

-বিবিসি