আরো কয়েকজন অসুস্থ হওয়ায় ভাইরাসটির সংক্রমণ ও ঝুঁকি নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। একই সঙ্গে ভাইরাসটি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে বিশ্বজুড়েই।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান কেরখোভ অবশ্য জানিয়েছেন, এ ভাইরাসটি ঠিক কভিড-১৯-এর মতো কিছু না, আবার ইনফ্লুয়েঞ্জাও না। ভাইরাসটি ছড়ানোর ধরন একেবারেই আলাদা।
মারিয়া ভ্যান কেরখোভ গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, হান্টাভাইরাসে সংক্রমিত জাহাজ এমভি হন্ডিয়াসের সবাইকে মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি সন্দেহভাজন রোগীর সংস্পর্শে আসছেন বা তাদের সেবা দিচ্ছেন, তাদেরও উচিত আরো বেশি সুরক্ষামূলক পোশাক-আশাক ও সরঞ্জাম ব্যবহার করা।
হান্টাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে উল্লেখ করে ডব্লিউএইচওর এ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘যারা রোগীদের সংস্পর্শে এসেছে, তারা সংক্রমিত হয়েছে কি হয়নি, তা শনাক্ত করার কাজ চলছে। তবে হান্টাভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে ছড়ায়।’
হান্টাভাইরাসের সঙ্গে কভিড-১৯ মহামারীর শুরুর সময়ের পার্থক্য নিয়ে মারিয়া ভ্যান কেরখোভ বলেন, ‘এখনকার পরিস্থিতি ছয় বছর আগেকার পরিস্থিতির মতো নয়। আমি খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এটি নতুন কোনো কভিড মহামারীর শুরু নয়। এটি এমন একটি প্রাদুর্ভাব, যা কেবল একটি জাহাজে দেখা যাচ্ছে।’
হান্টাভাইরাস হচ্ছে একগুচ্ছ ভাইরাসের সমষ্টি, যা সাধারণত ইঁদুর বা এ-জাতীয় ক্ষুদ্র প্রাণীর মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ইঁদুরের লালা, মল-মূত্র বা এর বাসস্থানের ধূলিকণার সংস্পর্শে মানুষ এলে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা দেহে গুরুতর রোগ সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর আনুমানিক ১০ হাজার থেকে এক লাখ মানুষ হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে এশিয়া ও ইউরোপে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।










