একের পর এক সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু সেসব সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি অলিম্পিক লিওঁ। অন্যদিকে সুযোগ পেয়ে তা কাজে লাগাতে ভুল করেনি বায়ার্ন মিউনিখ। বার্সার বিপক্ষে ৮ গোল করা বায়ার্নের দেখা না মিললেও, বড় জয় নিয়েই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে জার্মান জায়ান্টরা। ফাইনালে বায়ার্নের প্রতিপক্ষ নেইমার-এমবাপ্পেদের পিএসজি।
লিসবনে ম্যাচের শুরুতেই এদিন আক্রমণ প্রতিআক্রমণে লড়াই জমিয়ে তুলে দিল দু দল। তবে একেবারে শুরুর দিকে দারুণ সুযোগ পেয়ে হাতছাড়া করেন লিওঁ তারকা মেমফিস ডিপাই। মূলত গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি তিনি। একটু পর লিওঁকে গোল খাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক। পাল্টা আক্রমণে সুযোগ পেয়েছিল লিওঁ, তবে কাছাকাছি গিয়ে ফের ব্যর্থ হয় তারা।
অবশ্য ১৩ মিনিটের মাথায় বায়ার্ন ডিফেন্সে দারুণ এক আক্রমণ শানায় লিওঁ। সেই আক্রমণে একাধিকবার বায়ার্ন ডিফেন্সকে পরীক্ষায় ফেলেও কাঙ্খিত গোলটি আদায় করতে পারেনি ফরাসি ক্লাবটি। ১৭ মিনিটে আবারো বায়ার্ন ডিফেন্স কাঁপায় লিওঁ আক্রমণভাগ। দুর্দান্ত আক্রমণে যাওয়া লিওঁকে থামায় গোলপোস্ট। অবশ্য লিওঁ না পারলে ভুল করেনি বায়ার্ন।
এক মিনিট পরই দারুণভাবে বল নিয়ে লিওঁর একাধিক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে জোরালো শটে দর্শনীয় এক গোল করেন সের্গে নাব্রি। এরপর আরো দ্রুত আরো একাধিক সুযোগ পায় বায়ার্ন। যদিও কাজে লাগেনি সেসব সুযোগ। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে সতীর্থের ক্রস থেকে বল পেয়ে জালে জড়াতে ব্যর্থ হন রবার্ট লেভানডোভস্কি। বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি লিওঁ গোলরক্ষকও।
পরে দৌড়ে এসে নিজের দ্বিতীয় গোল আদায় করে নেন নাব্রি। তার ক্রসে লেভা পা লাগাতে পারলে বিরতির আগেই ব্যবধান ৩-০ করতে পারত বায়ার্ন।
বিরতির পর দু দলই চেষ্টা করে গোল আদায় করার। তবে বায়ার্নের আক্রমণগুলো ছিল বেশ শানিত। কর্নার থেকে সুযোগ পেয়েছিল লিওঁ, এ যাত্রায়ও আলোর মুখ দেখেনি সে সুযোগ। ৫৮ মিনিটে নিজেদের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি পেয়েছিল লিওঁ। কিন্তু নয়্যারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি টকো একাম্বি। লিওঁর গোল মিসের মহড়ার ভিতর বায়ার্নও চেষ্টা করে যাচ্ছিল ব্যবধান বাড়ানোর।
অবশেষে ম্যাচের ৮৮ মিনিটে ঠিকই গোল আদায় করে দলকে ৩-০ তে এগিয়ে দেন লেভা। তিন গোলের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে বাভারিয়ান জায়ান্টরা।










