সাউদাম্পটনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে সাড়ে তিনশোর্ধ্ব রানের পার্টনারশিপ গড়ে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে অত্যন্ত সংহত অবস্থানে নিয়ে গেলেন জ্যাক ক্রলে আর জস বাটলার। ক্রলে করেছেন ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি, আর বাটলার পেয়েছেন দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। ২৬৭ রানে থেমেছেন ক্রলে। দ্বিতীয় দিন চা-বিরতির সময় ইংলিশদের সংগ্রহ ছিল পাঁচ উইকেটে ৪৯০ রান। বাটলার ১৪০ ও ক্রিস ওকস দুই রানে অপরাজিত ছিলেন।  

২০০০ সালের পর সবচেয়ে কনিষ্ঠ ইংলিশ ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে সেঞ্চুরি করেন জ্যাক ক্রলে। তবে চমক আরো বাকি ছিল। ২২ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটাকে রূপ দিলেন ডাবলে, যা ইংলিশ ক্রিকেটারদের মধ্যে সপ্তম কীর্তি। তিন নম্বর পজিশনে এটা ইংল্যান্ডের ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা ইনিংস। এদিন টম গ্রেভানিকে (২৫৮) টপকে যান ক্রলে। তিনি ২৬৭ রানে আউট হয়ে যাওয়ায় ৩৩৬ রান নিয়ে এক নম্বরে থাকা কিংবদন্তি ওয়ালি হ্যামন্ডের রেকর্ডটা অক্ষতই থাকল।  

পঞ্চম উইকেটে ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পার্টনারশিপটা এখন ক্রলে ও বাটলারের। ১৯৭৩ সালে কিথ ফ্লেচার ও টনি গ্রেগের গড়া ২৫৪ রানের পার্টনারশিপটা পেছনে ফেলার পর তারা চলে গেছেন আরো বহুদূর। সব মিলিয়ে, তাদের পার্টনারশিপটা ইংল্যান্ডের ইতিহাসেই যুগ্মভাবে ষষ্ঠ সেরা। কলিন কাউড্রে ও পিটার মে’র ৪১১ রানই ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ।    

১৭১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নামা ক্রলে ৩৩১ বলে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। অন্যদিকে ৮৭ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাটলারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটা আসে ১৮৯ বলে। ব্যক্তিগত ৯৯ রানে বাটলারকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার, যদিও রিভিউ নিয়ে তিনি সে যাত্রায় বেঁচে যান।

প্রথম টেস্টটা ইংল্যান্ড জিতে নেয়ার পর দ্বিতীয় টেস্ট বৃষ্টিতে পণ্ড হয়। সিরিজটা ড্র করতে হলে এই টেস্টটা জিততেই হবে পাকিস্তানকে।

সূত্র: ক্রিকইনফো ও বিবিসি