অনেকদিন ধরেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মরিয়া চেষ্টা করে যাচ্ছিল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। কিন্তু অর্থ ঢেলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না তারা। তবে এ মৌসুমে এসে অবশেষে স্বপ্ন পূরণের দ্বার প্রান্তে পৌঁছল ফরাসি ক্লাবটি। 

জার্মান ক্লাব আরবি লিপজিগকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠল তারা। এখন সামনে কেবল একটি ম্যাচের অপেক্ষা। সেটি জিততে পারলে কাঙ্খিত ইউরোপ সেরার শিরোপা আসবে পিএসজির ঘরে। সেমির লড়াইয়ে পিএসজির জয় ৩-০ গোলের ব্যবধানে। 

লিসবনে ম্যাচের প্রথম সুযোগটা পেয়েছিল পিএসজি। কিন্তু এমবাপ্পের বাড়ানো বল সুযোগ পেয়েও জালে জড়াতে ব্যর্থ হন নেইমার। একটু পর এমবাপ্পে বল জালে জড়ালেও গোল বাতিল হয় হ্যান্ডবলের কারণে। 

পাল্টা আক্রমণ থেকে একটু পর সুযোগ তৈরি করেছিল লিপজিগ। তারাও পারেনি গোল করতে। এরপর ম্যাচের ১৩ মিনিটে লিপজিগ ডি বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় পিএসজি। ডি মারিয়ার ফ্রি কিক থেকে হেডে গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে দেন মার্কুনিয়োস। 

একটু পর এমবাপ্পেকে লিপজিগ গোলরক্ষক ঠেকিয়ে না দিলে পিএসজি পেয়ে যেতে পারত দ্বিতীয় গোল। এরপর সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল লিপজিগ। কিন্তু কাছাকাছি গিয়ে ব্যর্থ হয় তারা। ৩৬ মিনিটে নেইমারের  নেয়া ফ্রিকিক পোস্টে লেগে ফিরে আসলে গোলবঞ্চিত হয় পিএসজি। ম্যাচের ৪২ মিনিটে পিএসজি ডিফেন্সের ভুলে বল পেয়ে গোল করেন ডি মারিয়া। বিরতির ্আগেই দুই গোলের লিড নেয় ফরাসি জায়ান্টরা। 

বিরতির পরপর লিপজিগ মরিয়া চেষ্টা চালায় ব্যবধান কমাতে। বেশ কয়েকবার পিএসজি ডিফেন্সে হামলাও চালায়  তারা। তবে কাঙ্খিত গোল পাওয়া হয়নি। উল্টো ৫৬ মিনিটে জুয়ান বার্নেটের গোলে ব্যবধান ৩-০ করে পিএসজি। এই গোলে ফাইনালের পথ অনেকটাই পরিস্কার করে ফেলে পিএসজি। এরপর দু দলই সুযোগ পেয়েছিল গোল করার। কিন্তু কেউ আর গোল আদায় করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তিন গোলের ব্যবধানে জয়ে ফাইনালের টিকিট নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেইমার-এমবাপ্পেরা।