মঈন আলীর ব্যাটিং ঝড়ে হাতের মুঠো থেকে ম্যাচটা ফসকেই যাচ্ছিল পাকিস্তানের। শেষ বলে দুই ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। ছয় মেরে পাকিস্তানি সমর্থকদের ভয় পাইয়ে দিয়েছিলেন টম কারান। তবে শেষ বলে প্রয়োজনীয় ছক্কাটা আর মারতে পারেননি তিনি। ৫ রানে ম্যাচ জিতে টি ২০ সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করল বাবর আজমের দল। পাকিস্তানের ১৯০ রানের জবাবে ১৮৫ রানেই থামে স্বাগতিকরা। 

এদিন অবশ্য জবাব দিতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের । কোন রান না করেই আউট হয়ে যান জনি বেয়ারস্টো। দলীয় ২৬ রানে ফিরে যান ডেভিড মালানও। তার ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। আগের ম্যাচে জয়ের নায়ক অধিনায়ক ইয়ন মরগানও ফিরে যান অল্প রান করে। ১০ রান করা মরগান ফেরেন রান আউট হয়ে। প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট করে যাওয়া টম ব্যান্টনও ফিরে গেলে বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা। ৩১ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। তাকে ফেরান হারিস রউফ। তবে স্যাম বিলিংসকে নিয়ে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মঈন আলী। ২৬ রান করে বিলিংস ফিরলে ভাঙে এ জুটি। তখন ইংল্যান্ডের রান ১২৬। অবশ্য মঈন ছিলেন অবিচল। ইংল্যান্ডের জয়ের স্বপ্নও উজ্জ্বল করে তোলেন তিনি। তবে শেষ দিকে ৩৩ বলে ৬১ রান করে মঈন ফিরে গেলে ইংল্যান্ডের জয়ও অধরা থেকে যায়। পাকিস্তানের হয়ে ২ টি করে উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও ওয়াহাব রিয়াজ। 

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ফখর জামানকে হারায় পাকিস্তান। ১ রান করে ফেরেন তিনি। দলীয় ৩২ রানে ফিরেন বাবর আজম। তিনি করেন ২১ রান। তবে অভিষিক্ত হায়দার আলী ও অভিজ্ঞ মোহাম্মদ হাফিজের ব্যাটিং ঝড়ে বড় সংগ্রহের ভিত পায় পাকিস্তান। নজরকাড়া ব্যাটিংয়ে হায়দার করেন ৩৩ বলে ৫৪ রান। হাফিজ অপরাজিত থাকেন ৮৬ রানে। পাকিস্তান থামে ৪ উইকেটে ১৯০ রানে। ম্যাচ ও সিরিজ সেরা হয়েছেন হাফিজ। 

সূত্র: ক্রিকবাজ