নব্বইয়ের দশক জুড়ে বলিউডে আধিপত্য ছিল তার। এ দশকে বেশ
কয়েকটি বড় মাপের হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। সে সময় তিনি বিপুল পরিমাণ টাকা উপার্জন
করেন। কিন্তু সে টাকা দিয়ে কী করবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে বলিউড
অভিনেতা গোবিন্দ তার ক্যারিয়ারের সাফল্যের প্রথম দিকের স্মৃতিচারণ করেন।
২০১৪ সালে ‘হার ঘর কুচ কেহতে হ্যায়’ চ্যাট শোতে অভিনেতা বিনয়
পাঠকের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় অংশ নেন গোবিন্দ ও তার ভাই কীর্তি। গোবিন্দ জানান, কীভাবে
তার সব আইডিয়াকে কীর্তি ‘এটি আমাদের কাজ নয়’
বলে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। কীর্তি জানান, তাদের পরিবার চরম দারিদ্র্যে ছিল। আর তা থেকে বের
হওয়ার জন্য তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছিল। তিনি বলেন, ‘সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে গোবিন্দ তার
পথ তৈরি করে নিয়েছিল। সে নিজের চেষ্টাতেই এটি করেছিল।’
তিনি বলেন, ‘অন্যদিকে আমি বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলাম।
কিন্তু যখন সে অভিনেতা হিসেবে যাত্রা করল, আমি তার সেক্রেটারির দায়িত্ব নিলাম। সে সময়
আমি তাকে অনেকগুলো সিনেমায় কাজের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম। আমরা একত্রে চরম দারিদ্র্যের
মধ্যে দিন কাটিয়েছি। আর আমি কেবল তা থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলাম।’
তিনি আরো বলেন, একদিন গোবিন্দ ঘরের দরজা বন্ধ করল। তারপর
তার সব টাকা ও ব্যাংক ডকুমেন্ট সামনে রাখল। আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম। এত টাকা দিয়ে কী
করব তা আমরা ঠিক করতে বসলাম। গোবিন্দর প্রথম আইডিয়া ছিল, ‘পাপ্পু, চলো আমরা ১০০টি অটোরিকশা
কিনি।’ আমি তাকে বললাম যে, এটি
আমাদের কাজ নয়। তার কিছু দিন পরে গোবিন্দ স্টার হলো।
আবারো আমরা ভাবতে বসলাম, টাকাগুলো নিয়ে কী করা যায়। এবার
সে বলল, ‘পাপ্পু, চলো আমরা ১০০টি ট্রাক কিনি।’ আমি আবারো তাকে বললাম, যে এটি আমাদের
কাজ নয়। এসব কথা শুনে গোবিন্দ হাসলেন। তিনি বলেন, তার আইডিয়ার প্রতি তার ভাইয়ের মনোভাব
সব সময় একই ছিল।










