অস্কারে সেরা স্বল্প দৈর্ঘ্য তথ্যচিত্রের পুরস্কার জিতল দি এলিফ্যান্ট হুইসপারারস। কার্তিকি গনজালভেস পরিচালিত এ তথ্যচিত্র মুক্তি পায় নেটফ্লিক্সে। এতে দেখা গেছে তামিলনাড়ুর বোমান ও বেলি দম্পতিকে। তাদের জীবনকে ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে এ তথ্যচিত্র। অস্কারের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাদের কৃতিত্বও স্মরণ করেছেন কার্তিকি। কিন্তু সেদিন পর্যন্ত বোমান ও বেলি তাদের সিনেমাটি দেখার সুযোগ পাননি।
সম্প্রতি বোমানের সঙ্গে কথা বলে ভারতীয় গণমাধ্যম। হিন্দুস্তান টাইমসকে তিনি বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে (অস্কার) কিছু জানি না। তবে আমি বুঝি, এটা গুরুত্বপূর্ণ। সবার কাছে শুনেছি, ভারতের জন্য বিষয়টি খুবই গৌরবের। আমার জন্যও তাই এটা বড় একটি বিষয়।’ বোমানের কথা থেকে বোঝা যায় অস্কার আসলে কী, সে বিষয়ে তার ধারণা নেই কিংবা অস্কারের গুরুত্ব নিয়ে এত মাথাব্যাথাও নেই তার।
বোমান-বেলি দম্পতি মূলত দুটো অনাথ হাতিকে লালনপালন করেছিলেন। হাতি দুটোর নাম রঘু ও আমু। বোমান ও বেলি তামিলনাড়ুর মধুমালাই বনে বসবাস করেন। তারা কাট্টুনায়াকার গোত্রের মানুষ। তারা এ অনাথ হাতিদুটোকে পেয়েছিলেন এবং এরপর এদের নিজ সন্তানের মতো লালনপালন করেন।
এর আগে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বেলি বলেছিলেন, অস্কার পেলে তিনি খুশি হবেন। তিনি আরো জানিয়েছিলেন, এ তথ্যচিত্র তৈরির জন্য নির্মাতারা সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই তাদের কাছে এসেছেন। বেলি বলেন, ‘পুরস্কার পাওয়ার ব্যাপারটি মধুমালাই বন বিভাগের পাশাপাশি আমার জন্যও খুবই আনন্দের।’
বলিউডে একসময় রাজেশ খান্না অভিনীত হাতি মেরে সাথী সিনেমাটি দারুণ প্রশংসিত হয়েছিল। এবার বোমান-বেলি দম্পতি হাতির প্রতি মানুষের মমতার বাস্তব উদাহরণ হয়ে দাঁড়ালেন। কার্তিকির তথ্যচিত্রটির মাধ্যমে মানুষের কাছে বন ও বন্যপ্রাণীর প্রতি মমত্ববোধের গুরুত্ব বাড়বে বলেই মনে করেন সবাই।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস










