এ ঈদে ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে তমা মির্জার। এবারের ঈদের পরিকল্পনা ও ঈদের স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন বণিক বার্তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছে শর্মিলা সিনড্রেলা
এবারের ঈদটা ভিন্ন
দুটি ঈদের আমেজ ভিন্নরকম হয়। রোজার ঈদে বা ঈদুল ফিতরে মূলত বেশি উত্তেজনা কাজ করে চাঁদ রাতে। তার পরের দিন কাটে পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে। পাশাপাশি দাওয়াতও থাকে অনেক। সেই ঈদের সময়ে কাজের চাপও একটু বেশি থাকে। কোরবানির ঈদ বা ঈদুল আজহার সময় আবার দেখা যায় ঈদের দিনটাতেই বেশি উত্তেজনা থাকে। কোরবানি দেয়া, সবার মধ্যে সেগুলো বিতরণ করা, সন্ধ্যার পরে গিয়ে তখন ঈদের আমেজটা তৈরি হয়। তবে সেসব পেরিয়ে এবারের ঈদটা সবচেয়ে ভিন্ন। কারণ এবার ঈদে আমার সিনেমা সুড়ঙ্গ আসছে বড় পর্দায়। হয়তো দেখা যাবে ছবির মুক্তি নিয়ে ব্যস্ত থাকব। ঈদের দিন সকাল থেকেই চেষ্টা করব যেন কোরবানি হওয়ার পর পরই সিনেমা হলে চলে যেতে পারি। ঈদের আগে থেকে শুরু করে রিলিজের পর পর্যন্ত আমি মূলত সুরঙ্গ টিমকেই সময় দিতে চাই।
দিনের বেশির ভাগই কাটে পরিবারের সঙ্গে
ঈদে আমার দিনযাপনে নতুন কোনো কিছু যে যোগ হয়, তেমন না। সাধারণত দেখা যায় ঈদের দিনের থেকে অন্যদিন হয়তো আমি বেশি বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে হ্যাংআউট করি। শুধু ঈদ না, আমার জন্মদিন বা পহেলা বৈশাখ, এ তিনটা দিন পরিবারকে বেশি সময় দিতে পছন্দ করি। জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই এটা মেইনটেইন করে আসছি। ঈদের দিন তাই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কখনো কখনো রাত পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে কাটাই। তিনটি দিন আমি পুরোপুরি পরিবারকেই দিতে চাই। ফলে পরিবারের বাইরে গিয়ে অনেক কিছু করার আমার তেমন কোনো স্মৃতি নেই। প্রতিটি ঈদই আমার কাটে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে। পরিবারের সঙ্গে সময়টা আমার সবসময় স্পেশাল। প্রতিটা ঈদই আমার মনে দাগ কেটে থাকে। তাই আলাদাভাবে বলতে পারব না যে এটা খুব ভালো ছিল বা ওটা খুব মনে আছে। একটা বা দুটো ঈদ হয়তো আমি দেশের বাইরে করেছি, যখন পরিবার আমার সঙ্গে ছিল না। এছাড়া এত বছরে কখনো পরিবার ছাড়া ঈদ করিনি। আমি চাই ভবিষ্যতেও যেন সবসময় পরিবারের সঙ্গেই ঈদটা কাটাই।
ঈদের দিন রান্না করে আম্মু
আমি রান্না করতে খুবই পছন্দ করি। কিন্তু ঈদের দিন আম্মু একদমই চায় না আমি রান্নাঘরে যাই। কোরবানি ঈদে আমি আর আম্মু মিলে মাংস ভাগাভাগি করি, একসঙ্গে বসে সেসব সবার মধ্যে বিতরণ করি। তবে সেদিন আমার রান্নাটা আর করা হয় না। অনেকে কোরবানির মাংস অনেক দিন রেখে দেয়। আমরা সেভাবে একদমই রাখতে চাই না। ফলে ঈদের দিন যত মানুষ আসে তার খুব কম বা বলা যায় কেউই ফিরে যায় না। আমাদের জন্য আম্মু একেবারে একটা বড় পাতিলে করে রান্না করে, যা আমরা ওইদিন খাই, বাকিটা বিতরণ করা হয়। যেহেতু ওটা স্পেশাল, তাই আম্মুই করে।










