বাদশাহ ফিরছেন চার বছর পর। প্রত্যাবর্তনও তাই জমকালো হওয়া চাই! সে চেষ্টা শাহরুখ খান, যশরাজ ফিল্মস যেমন করছে, তেমনি করছেন শাহরুখ খানের ভক্তরা। শাহরুখ খানের বিভিন্ন ফ্যান ক্লাব থেকে পাঠানের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর মধ্যেই তারা শুরু করেছেন প্রচারণার কাজ। বিভিন্ন শহরে পোস্টারিং করার পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে খাদ্য বিতরণের মতো কাজ করছে শাহরুখ খানের একাধিক ফ্যান ক্লাব। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপটি নিচ্ছে শাহরুখ খান ওয়ারিয়স ফ্যান ক্লাব। পাঠানের ১০ হাজারের বেশি পোস্টার লাগিয়ে প্রচারণা করছে ক্লাবটি।
টুইটারে শাহরুখ খানের এ ফ্যান ক্লাব শুরু করেছিলেন জাভেদ শেখ নামে শাহরুখ খানের এক ভক্ত। বর্তমানে ফ্যান ক্লাবটির ফলোয়ার প্রায় ৪০ হাজার। পাঠানের প্রচারণা তারা আরো আগেই শুরু করেছেন। ২০২২ সালে শাহরুখ খানের জন্মদিন থেকে প্রচারণা শুরু করেন তারা। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৩৫টি শহরে ছবিটির পোস্টার লাগিয়ে প্রচারণা করছে ফ্যান ক্লাবটি। এ নিয়ে বলিউড হাঙ্গামাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ শেখ বলেন, ‘অন্যান্য ফ্যান ক্লাবের মতো আমরাও ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো প্রদর্শনীর আয়োজন করছি। এছাড়া আমরা ৩৫টি শহরে ১০-১৫ হাজার পোস্টার লাগিয়েছি।’
কাজটি বেশ বড় মাত্রায়ই হয়েছে। প্রতিটি শহরে তারা ৪০০-৫০০ পোস্টার লাগিয়েছেন। প্রতিটি পোস্টার এথ্রি আকৃতির। জাভেদ শেখ জানান এ কাজের জন্য ক্লাব থেকেই স্বেচ্ছাসেবক নেয়া হয়েছে। করা হয়েছে আলাদা আলাদা দল। প্রতিটি দলের সদস্য সংখ্যা ছিল ২০-২৫ জন। একজন অ্যাডমিনের নেতৃত্বে প্রতিটি দল কাজ করেছে।
কীভাবে শহরগুলো নির্বাচন করা হলো সে সম্পর্কে জাভেদ বলেন, ‘বক্স অফিসে সফলতার সম্ভাবনা অনুসারে আমরা শহরগুলো নির্বাচন করেছি। যেসব জায়গা থেকে সিনেমাটির ব্যবসা করার সম্ভাবনা শূন্য বা থিয়েটারই নেই. সেসব বাদ পড়েছে।’ বিভিন্ন সেলুন, ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট ও জনসমাগম হয় এমন সব জায়গায়ই পোস্টার লাগানো হয়েছে। এক্ষেত্রে অনুমতি পাওয়া একটি বড় ব্যাপার। সাধারণত দেয়ালে পোস্টার লাগানোর ক্ষেত্রে কোনো অনুমতির তোয়াক্কা না করাই উপমহাদেশের মানুষের স্বভাব। কিন্তু পাঠানের ক্ষেত্রে অনুমতি নিয়েছেন জাভেদ ও তার দল। জাভেদ বলেন, ‘আমরা রেস্টুরেন্ট, ক্যাফের মালিকদের সঙ্গে গিয়ে কথা বলেছি। ২ মিনিট তাদের সঙ্গে ভদ্রভাবে কথা বলার পর তারা নিজেরাই বলেছেন, ‘শাহরুখ খানের সিনেমা তো। লাগিয়ে ফেলুন পোস্টার।’
জাভেদ এও জানিয়েছেন যে শাহরুখ খান এ ফ্যান ক্লাব সম্পর্কে জানেন। তার জন্মদিনে মান্নাতের সামনে একটি হিলিয়াম বেলুন ছেড়েছিলেন জাভেদরা। এক লাখ রুপি খরচ করেছিলেন তারা।
জাভেদদের এ ফ্ল্যান ক্লাবের বাইরে আরো কয়েকটি ফ্যান ক্লাব তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। এর মধ্যে কারনুলের ‘এসআরকে সিএফসি’ সপ্তাহব্যাপী সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করবে। ১৮-২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃক্ষরোপণ, অনাথ শিশুদের খাওয়ানো, ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রচারণা চালাবে তারা। এছাড়া পোস্টার, ফেস্টুন, পতাকা ওড়ানোর মতো প্রচারণাও রাখছে তারা।
সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা










