নয় বছর পর পর অস্কার পাওয়া যেন নিয়ম হয়ে গেছে কেট ব্ল্যানচেটের। প্রথমে ২০০৪ সালে তিনি ‘দি এভিয়েটর’ সিনেমার জন্য মনোনয়ন পান। পুরস্কারটিও পেয়ে যান সে বছর। ২০১৩ সালে ‘ব্লু জেমসিন’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পুনরায় পান একাডেমি অ্যাওয়ার্ড। এ বছর টড ফিল্ডের ‘টার’ আবার আশা জাগাচ্ছে কেটের জন্য। সিনেমাটি নিয়ে নানা কথা হচ্ছে। অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর জন্য অন্যতম যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী কেট। অস্কার, অভিনয় ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ভ্যারাইটির পডকাস্টে।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নানা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেট। প্রথম এলিজাবেথ হিসেবে দেখা গেছে তাকে। আবার তিনিই মার্ভেলে অভিনয় করেছেন থরের বোন হেলা চরিত্রে। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ক্রিয়েটিভ রিস্ক নেয়ার ব্যাপারটা একজন অভিনেতার জন্য প্রয়োজন। এগুলোকে চিহ্নিত করার পাশাপাশি এর জন্য তাদের প্রশংসা করা উচিত। সব ধরনের সিনেমা সহজে দর্শকের কাছে পৌঁছতে পারে না। এজন্য অনলাইন লাইব্রেরির প্রয়োজন। এখানে সেসব সিনেমা থাকবে, যা সহজে দর্শকের সামনে আসে না।’
কেট নানা ধরনের সিনেমা করেছেন আর তার জন্য স্বীকৃতিও পেয়েছেন। আটবার অস্কার নমিনেশন পেয়েছেন এ অভিনেত্রী। প্রতিটি সিনেমাই মুক্তির পর কখনো না কখনো দর্শকের মনোযোগ পেয়েছে। কিন্তু একটা সময় সিনেমাগুলোকে খুঁজে নিয়েছে দর্শক বা সমালোচক। এমনকি অস্কার পেয়েছেন সেটা তো আগেই বলা হয়েছে। এবারো পেয়ে যেতে পারেন। তো কেট এবারের অস্কারের জন্য কোনো স্পিচ তৈরি করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি মজা করেই বলেন, ‘ওটা নিয়ে আমি কাজ করছি।’
কেট ব্ল্যানচেট অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে আছেন। গোল্ডেন গ্লোবে তিনি টার সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী হয়েছে। এ সিনেমায় ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ব্ল্যানচেট বলেন, ‘এটা ছিল এমন একটা সুযোগ, যেখানে নিয়মানুবর্তী একটি চরিত্রকে একদম ঠিকভাবে বসানো যায়। চরিত্রটি তার জীবনের তুলনায় তার প্যাশনের প্রতি বেশি মনোযোগী। অন্যদিকে সে মনে করে নিজেই দুনিয়ার অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এখন সেখান থেকে দুনিয়ার সঙ্গে তার কী সম্পর্ক তৈরি হয় সেটা দেখানোর চেষ্টা আছে।’
ক্ল্যাসিক্যাল সংগীত নিয়ে এ সিনেমার গল্প। সিনেমায় নিজের চরিত্রে ঢোকার জন্য ব্ল্যানচেট ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে ক্ল্যাসিক্যাল সংগীত শুনেছেন। পরিচালক টড ফিল্ড বলেন, ‘চরিত্রটিকে নিজের মতো করে তৈরি করার জন্য, নিজের ভঙ্গি বদলানোর জন্য কেট অনেক সময় দিয়েছে। সে পিয়ানোতে ক্ল্যাসিক্যাল বাজানোও শিখেছে। তবে সে আমার ওপর রেগে গিয়েছিল কেননা আমি তার হাত দেখাইনি।’ টড ফিল্ড ব্ল্যানচেটের হাত দেখান বা না দেখান, সে হাতে অস্কার উঠলে সবাই দেখতে পাবে।
সূত্র: ভ্যারাইটি










