প্রয়াত অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক ও চলচ্চিত্র পরিচালক আবদুল্লাহ আল-মামুনের ৮১তম জন্মদিন আজ। আবদুল্লাহ আল-মামুন ছিলেন টেলিভিশান নাটকের একজন পথিকৃৎ। চলচ্চিত্র নির্মাণেও তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ছাড়াও অসংখ্য পদক ও সম্মাননায় তিনি ভূষিত হয়েছেন।

আবদুল্লাহ আল-মামুনের স্বরণে আজকের দিনটি ঘিরে নানা আয়োজন করেছে তারই প্রতিষ্ঠিত নাট্যদল ‘‌থিয়েটার’। আজ বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে আবদুল্লাহ আল-মামুন 

স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করেছে নাট্যদলটি। এ আয়োজনে স্মারক বক্তা বিশিষ্ট অভিনয়শিল্পী ও সংসদ সদস্য সুবর্ণা মুস্তাফা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন থিয়েটার সভাপতি ফেরদৌসী মজুমদার। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

এছাড়া সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হবে থিয়েটারের কালজয়ী প্রযোজনা ‘মেরাজ ফকিরের মা’। আবদুল্লাহ আল-মামুন রচিত ও নির্দেশিত এ নাটকের এটি হবে ২০৫তম প্রদর্শনী। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফেরদৌসী মজুমদার, তোফা হোসেন, রামেন্দু মজুমদার, শেকানুল ইসলাম শাহী, আপন আহসান, ত্রপা মজুমদার, খুরশীদ আলম, জোয়ারদার সাইফ, কল্যাণ চৌধুরী, রাশেদুল আওয়াল শাওন, তানজুম আরা পল্লী, রবিন বসাক প্রমুখ। 

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে এক শৈল্পিক প্রতিবাদ ‘মেরাজ ফকিরের মা’ নাটকটি। ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় থিয়েটার প্রযোজিত নাটকটি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

১৯৪২ সালের ১৩ জুলাই জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল্লাহ আল মামুন। ১৯৬৬ সালে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে অনুষ্ঠান প্রযোজক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৯১ সালে পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে অবসর নেন। চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রেও তিনি রেখেছেন অসামান্য মেধার ছোঁয়া। ‘সারেং বউ’, ‘সখী তুমি কার’, ‘দুই জীবন’, ‘বিহঙ্গ’, ‘পদ্মাপাড়ের দৌলতী’ প্রভৃতি ছবি আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।