নতুন ধারার অ্যাকশন সিনেমায় দ্রুতই নিজের জায়গা করে নিয়েছেন ক্রিস হেমসওয়ার্থ। তর্কের অবকাশ নেই তার জনপ্রিয়তম চরিত্র এখন থর। মার্ভেলের নর্স গডের এ চরিত্র তাকে দিয়েছে অভূতপূর্ব খ্যাতি। কিন্তু নানা কারণেই এ চরিত্রে তার ফেরা অনিশ্চিত। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স তাদের নতুন পরিকল্পনা অনুসারে এগোচ্ছে। অ্যাভেঞ্জার্সের নতুন প্রজন্ম আর থরের শেষ সিনেমায় আপাত ব্যর্থতার কারণে থর চরিত্রে তাকে দেখতে পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। কিন্তু মার্ভেলে থাকতে চান হেমসওয়ার্থ। সে রকমই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

এক্সট্র্যাকশন পুরোপুরি অ্যাকশন ঘরানার সিনেমা। অনেকটাই হলিউডের নব্বইয়ের দশকে চলা অরিজিনাল অ্যাকশন সিনেমা ধাঁচের। এখানে নানা ধরনের স্টান্ট হেমসওয়ার্থ নিজে করেছেন। এ নিয়ে তিনি সম্প্রতি কথা বলেছেন টোটাল ফিল্ম ম্যাগাজিনের সঙ্গে। হেমসওয়ার্থ বলেন, ‘‌ক্যারিয়ারের কঠিনতম কাজ আমি এখানে করেছি। বাড়িয়ে বলছি না একদম। একটা শটের শেষে আমি হা করে শ্বাস নিচ্ছিলাম যেন এর আগে শ্বাস নিতে পারিনি অনেকক্ষণ। আমার সঙ্গের সবাইও পরিশ্রমের ক্লান্তিতে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছিল। কিন্তু ব্যাপারটি শেষ পর্যন্ত প্রশান্তিদায়ক।’

মার্ভেলের সিনেমায় এ ধরনের অ্যাকশন সিকোয়েন্স করার কোনো সুযোগ নেই। সেখানে অ্যাকশনের সঙ্গে যুক্ত হয় ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট। কিন্তু হেমসওয়ার্থ মার্ভেলকে ভালোবাসেন। তিনি বলেন, ‘‌মার্ভেলের কোনো একটি সিনেমায় আমি এ ধরনের সিন করতে চাই।’ সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যাভেঞ্জার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে চান ক্রিস। ৩৯ বছর বয়সী এ অভিনেতা মার্ভেলে থর চরিত্রে ফিরতে পারছেন কিনা তা নিশ্চিত না হলেও চরিত্রটি নিয়ে তার আশা আছে। এ চরিত্রে তার যাত্রা হয়েছিল হলিউডের অন্যতম সেরা পরিচালক কেনেথ ব্রানার হাত ধরে। পরের সিনেমাটি নির্মাণ করেন অ্যালান টেইলর। টাইকা ওয়াইটিটি পরিচালনায় এসে বিষয়টি পুরো উল্টে দেন।

থরের ফেরা অনিশ্চিত হলেও ‘‌থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’ সিনেমার পোস্ট ক্রেডিট সিনে নতুন একটি গল্পের আভাস ছিল। জিউসের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে পরের সিনেমাটিতে থরের মুখোমুখি হবে হারকিউলিস এমনই ধারণা দিয়েছিল মার্ভেল। কিন্তু সেটা কতদূর আলোর মুখ দেখবে তা বলা যাচ্ছে না।

অন্যদিকে কভিড-১৯-এর মধ্যে মুক্তি পাওয়া এক্সট্র্যাকশন নানা কারণে জনপ্রিয় হয়েছিল। এবার আগামী জুনে মুক্তি পাবে এর সিক্যুয়াল। সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করছেন গোলশিফতেহ ফারাহানি। প্রথম সিনেমাটিতে ভারত ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ থাকায় এশিয়ায় জনপ্রিয় হয় এক্সট্র্যাকশন। সিনেমায় একজন ‘‌মার্সেনারি’র চরিত্রে অভিনয় করছেন ক্রিস। এক্সট্র্যাকশন টুয়ের প্রথম কিস্তির শেষ থেকেই শুরু হচ্ছে। সিনেমাটি কতটা জনপ্রিয় হবে তার জন্য মধ্য জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

সূত্র: হ্যালো ফিল্ম