প্রকাশ পেতে যাচ্ছে পপ কালচার ফেস্টিভ্যাল ‘ঢাকা সামার কন ২০২৩’-এর থিম সং ‘এস্কেপ’। গানটি নির্মাণে হেভি মেটাল ব্যান্ড মেকানিক্সের সঙ্গে তারকা শিল্পী রাফা, শিশির আহমেদ ও ব্ল্যাক জ্যাং যুক্ত হয়েছেন।
আগামী ১৩, ১৪ ও ১৫ জুলাই রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে পপ কালচার ফেস্টিভ্যাল ‘ঢাকা সামার কন ২০২৩’। কমিক, কসপ্লে, কনসার্ট, গেমিং, কে-পপ, হিপ-হপ, আর্ট সব ধরনের বিনোদনের সমারোহ নিয়ে প্রথমবারের মতো এ ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করতে যাচ্ছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও জনসংযোগ প্রতিষ্ঠান মিডিয়াকোয়েস্ট বাংলাদেশ।
শিগগিরই মিউজিক ভিডিওসহ ‘ঢাকা সামার কনের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয় প্রকাশ পাবে থিম সংটি।
গানটি লিখেছেন মেকানিক্স ব্যান্ডের ড্রামার শেখ এম রিয়াজ। শিশির আহমেদ, মেকানিক্স ব্যান্ড, রায়েফ আল হাসান রাফা ও ব্ল্যাক জ্যাংয়ের যৌথ প্রযোজনায় এটি নির্মিত হয়েছে।
জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা রাফা এস্কেপ নিয়ে বলেন, ‘সাধারণ থেকে বেরিয়ে এসে একটা অসাধারণ কিছু করার মধ্যেই আনন্দ বেশি। ঢাকা সামার কন এমনই একটা উদ্যোগ। আমি এমন একটা ফেস্টিভ্যালে অংশ হয়েছি, এটা আমার জন্যও একটা অন্য রকম অভিজ্ঞতা। ঢাকা সামার কন একটা পপ-কালচার ফেস্টিভ্যাল, একই সঙ্গে এটি দেশের প্রথম কোনো ইভেন্ট, যার একটি নিজস্ব থিম-সং হয়েছে। আর যেহেতু গানটি ইংরেজি ভাষায় করা হয়েছে আন্তর্জাতিক আঙ্গিকেও ভালো সাড়া পাওয়া যাবে বলে আমি মনে করি।’
শিশির আহমেদ বলেন, ‘কমিক্স আর কসপ্লে নিয়ে আমি বরাবরই বেশ সাগ্রহী আর পেশা ও আবেগের জায়গা থেকে মিউজিকের সঙ্গে আমি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এর সবকিছুই একসঙ্গে উপভোগ করার একটা সুযোগ করে দিচ্ছে ঢাকা সামার কন। এমন একটা প্লাটফর্ম আমাদের দেশে দরকার ছিল, সে চিন্তা থেকেই সামার কনের থিম সং এস্কেপ গানটি নিয়ে এসেছি আমরা। শুরু থেকেই আমরা সবাই একত্র হয়ে গানটি নিয়ে কাজ করছি। আমি এস্কেপ গানের সর্বোপরি পরিচালনা ও তত্ত্বাবধায়নে কাজ করেছি। এ ধরনের একটি গান শ্রোতাদের জন্যও ভিন্নধর্মী একটি অভিজ্ঞতা দেবে বলেই আশা করছি।’
ফেস্টিভ্যালের আয়োজকরা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, পপ-কালচার নিয়ে তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরীরাই মূলত বেশি মাত্রায় যুক্ত, তাই তাদের কথা ভেবেই থিম সংটি রচনা করা হয়েছে। তরুণরা হয় উদ্যম, কিশোর-কিশোরী হয় সাহসী, তাদের জানার প্রয়াস অনেক বেশি থাকে, নতুনকে তারা সুন্দরের মতো করেই গ্রহণ করে। তাই তাদের মাঝে আত্মবিশ্বাস তৈরি ও অনুপ্রেরণা জোগাতে সর্বোপরি তারুণ্যের এ স্পৃহা, নির্ভীকতা, স্বাধীনচেতা, সৃজনশীলতাকে জাগ্রত ও উদ্বুদ্ধ করাই এস্কেপ গানটির লক্ষ্য।










