জেমস ক্যামেরনের অ্যাভাটার: ওয়ে অব ওয়াটার নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে। মাত্র ছয় সপ্তাহে সিনেমাটি আয় করেছে ২০০ কোটি ডলার। কভিড-১৯ অতিমারীর পর প্রথম সিনেমা হিসেবে অ্যাভাটার আয় করল এ পরিমাণ অর্থ। অন্যদিকে হলিউডের সিনেমার ইতিহাসে ২০০ কোটি ডলার আয় করা ষষ্ঠ সিনেমা এটি। এ পরিমাণ আয় ছাড়ানো অন্যান্য সিনেমা হলো অ্যাভাটার, অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম, টাইটানিক, স্টার ওয়ারস: দ্য ফোর্স অ্যাওয়াকেনস ও অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার।

সে হিসেবে বলা যাচ্ছে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার তালিকায় নাম উঠে গেল অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটারের। মজার ব্যাপার, সর্বোচ্চ আয় করা ছয় সিনেমার তিনটিরই পরিচালক জেমস ক্যামেরন। আরো মজার ব্যাপার হলো ছয়টি সিনেমার মধ্যে চারটিতে অভিনেত্রী হিসেবে আছেন জোয়ি সালডানা। অ্যাভাটারে নেইতিরি চরিত্রের পাশাপাশি মার্ভেল ইউনিভার্সে গামোরা চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।

সিনেমাটি নিয়ে কিছুটা হলেও দুশ্চিন্তায় ছিলেন ক্যামেরন। কেননা এখন পর্যন্ত মূলত সিনেমা নির্মাণের খরচটা উঠেছে তার। জিকিউ ম্যাগাজিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘‌সিনেমার বাজারের ক্ষেত্রে ওয়ে অব ওয়াটার বাজে ব্যবসার একটি উদাহরণ। কারণ সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার তালিকায় পৌঁছেও এটি কেবল নির্মাণ খরচ তুলতে পারবে।’ 

অ্যাভাটারের প্রথম সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল ২০০৯ সালে। সিনেমাটি আয় করেছে ২৯০ কোটি ডলার। অন্যদিকে অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেমের আয় ২৭৯ কোটি ডলার। এখন পর্যন্ত টাইটানিকের আয় ২১৯ কোটি ডলার। অ্যাভাটারের সিকুয়াল ‘‌দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ আমেরিকায় আয় করেছে প্রায় ৬০ কোটি ডলার। বহির্বিশ্ব থেকে সিনেমাটি আয় করেছে ১৪০ কোটি ডলার। এর মধ্যে চীন থেকেই এসেছে প্রায় ২৩ কোটি, ফ্রান্স থেকে ১৩ কোটি এবং জার্মানি থেকে ১২ কোটি ডলার।

অতিমারী-পরবর্তী সময়ে সিনেমাটির এ পারফরম্যান্স সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জন্য প্রয়োজন ছিল। সেদিক থেকে নিজেকে ছাড়ানোর পাশাপাশি বক্স অফিসের জন্যও ক্যামেরন ও তার সিনেমা একটি আশীর্বাদ।


সূত্র: ভ্যারাইটি