২০০২ সালে ডেভিড ফিঞ্চারের সাসপেন্স
ড্রামা ‘প্যানিক রুম’-এ শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করে পরিচিত পান ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট।
তবে ‘টোয়ালাইট’ ফ্র্যাঞ্চাইজির বেলা তাকে দিয়েছে বিশ্বজোড়া খ্যাতি। অভিনয় ছাড়াও রবার্ট
প্যাটিনসনের সঙ্গে তার অফস্ক্রিন ও অনস্ক্রিন রসায়ন দর্শকের ভীষণ পছন্দ হয়েছিল।
এরপর ক্যাম্প এক্স-রে, স্টিল অ্যালিস,
ইকুয়ালস, চার্লিস অ্যাঞ্জেলস, স্পেনসারসহ আরো কিছু ছবিতে কাজ করেন ক্রিস্টেন। আর দিনে
দিনে বেড়েছে তার সম্পত্তির পরিমাণ। চলতি বছরে তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭ কোটি
ডলার।
সেলিব্রেটি নেট ওয়ার্থ অনুসারে, ক্রিস্টেন
স্টুয়ার্টের সর্বোচ্চ আয় আড়াই কোটি ডলার, সঙ্গে ছিল সাড়ে ৭ শতাংশ লভ্যাংশ। যা তিনি
শেষ দুটি ‘টোয়াইলাইট’ মুভি থেকে অর্জন করেছেন। যেখানে বোনাসের পরিমাণ ছিল ২৫ লাখ ডলার।
এছাড়া ক্রিস হেমসওয়ার্থের সঙ্গে করা ‘স্নো হোয়াইট অ্যান্ড দ্য হান্টসম্যান’-এর জন্য
৯৫ লাখ ডলারের চেক পান।
চার্লিস অ্যাঞ্জেলস অভিনেত্রী একাধিক
বাড়ির মালিক। ২০১২ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসের লস ফেলিজ এলাকায় ২২ লাখ ডলারের আবাসনের মালিক
হন। তিন হাজার ৩৬১ বর্গফুটের অ্যাপার্টমেন্টটি প্রাক্তন প্রেমিক রবার্ট প্যাটিনসনের
সঙ্গে শেয়ার করতেন। পরের বছর ৪৮ লাখ ডলারে ছয় হাজার বর্গফুটের বাড়ি কেনেন, ২০২০ সালে
দাম দাঁড়ায় ৯৫ লাখ ডলার। তবে তিনি পান ৮৩ লাখ ডলার। ২০১৭ সালে ৫৬ লাখ ডলারে আরেকটি
বাড়ি কিনেছিলেন। ২০২১ সালে লস ফেলিজে ৬০ লাখ ডলারে আবাসন কেনার খবর পাওয়া যায়।
ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের বিলাসবহুল গাড়ির
সংগ্রহ রয়েছে। যেখানে আছে পোর্শে ৯১১ টার্বো এস, বিএমডব্লিউ এক্স৫, শেভ্রোলেট সাবারবান,
মিনি কুপার, টয়োটা ও ফোর্ড।










