সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন সর্বত্র জনপ্রিয়। সেখানে মানুষ ছবি পোস্ট করে, ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করে। অনেকে আবার সেসব নিয়ে ব্যক্তির অনুমতি ছাড়াই ব্যবসা করে। এ নিয়ে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনের পর করণ জোহরও হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। অতপর আদালতের নির্দেশে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন তিনি। ১৭ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট মৌখিকভাবে রায় দেন, অনুমতি না নিয়ে পরিচালকের ছবি বা অন্য কোনও তথ্য ব্যবহার করা যাবে না।
১৫ সেপ্টেম্বর মামলাটি যখন প্রথম আদালতে আনা হলে বিচারপতি মনমিত পিএস অরোরা জানান, ব্যাপারটি নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে বিচার করা হবে। পরিচালকের আবেদনে বেশ কিছু ওয়েবসাইট এবং প্লাটফর্মকে নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়।
পরিচালকের আইনজীবী তরফ থেকে জানানো হয়, পরিচালকের অনুমতি ছাড়া তাঁর নাম, ছবি বা ব্যক্তিগত কোনও কিছুই ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়াও না অনুমতি নিয়ে পরিচালকের ব্যক্তিত্ব, মুখ বা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করা যাবে না। বিভিন্ন জাল প্রোফাইল তৈরি করে করণ জোহরের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে, অশ্লীল বিষয়বস্তু তৈরি করা হচ্ছে যেগুলি অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।
এছাড়াও পরিচালকের আইনজীবী রাজশেখর রাওয়ের তরফ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, বেশ কিছু ওয়েবসাইট এবং প্ল্যাটফর্মে অবৈধভাবে পরিচালকের নাম পরিচয় ব্যবহার করে মগ ও টি শার্ট বিক্রি করা হচ্ছে, যা বিরত রাখা উচিত।
এদিকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের মালিক মেটা প্ল্যাটফর্মের আইনজীবী যুক্তি দেন, পরিচালকের যে ছবি বা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করা হয়েছিল সেগুলি কোনটি আপত্তিজনক ছিল না। সাধারণ মানুষ মন্তব্য করেছেন এবং আলোচনা করেছেন সেই ছবি নিয়ে। ব্যঙ্গাত তো বা রসিকতা অথবা মানহানিকর কিছুই ব্যবহার করা হয়নি।
১৭ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট মৌখিকভাবে ইঙ্গিত দেয়, পরিচালকের অনুমতি ছাড়া কোনও কিছু ব্যবহার করা যাবে না। আগামী শুনানির তারিখ দেওয়া হয়েছে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস










